(বাংলাদেশের ঝিলাইদহে আরো একজন পূজারী খুন হলেন - সংবাদ )
জনপদ হতে দূরে
শান্ত শীর্ন নদীতীরে
শতাব্দী প্রাচীন রাধাকৃষ্ণের দেউল।
ভক্ত , কীর্তনীয়া , সুফী , সাঁই , দরবেশ , বাউল
আসে তারা সকাল সন্ধ্যায় ,
ভজে যে যার নিজের ঠাকুর , আর গান গায়।
সেবাইত বনমালী দাস
মন্দিরেই থাকে বারোমাস
চল্লিশবছর ধরে একটানা।
সদা হাসি মুখে তার। সহজ সরলমনা
নিরীহ এ সেবকের সুমিষ্ট কথায়
সবাকার প্রাণ ভরে যায়।
রোগে , শোকে , দুঃখে , যন্ত্রনায়
শান্তনা পাবার ভরসায়
কত নরনারী এসে বসে যে এখানে -
মাধবী মালতী ঘেরা মন্দির প্রাঙ্গনে।
সবার মঙ্গল চেয়ে বারবার
ঠাকুরের কাছে দরবার
করে বনমালী -
পরনে থানের ধুতি গায়ে নামাবলী।
অকস্মাৎ অন্ধকারে ডুবে গেল সব।
বিদীর্ন কন্ঠের ক্ষীণ দীন আর্তরব
একপল শোনা গেল ! তারপর নাই !
হায় , হায় ! একি রূপে এলে শ্যামরায় !
নিজ হাতে নিকানো অঙ্গনে
ভক্তের শেষ কথা লেখা হল রক্ত আলিম্পনে
'শুন রে মানুষ ভাই
সবার ওপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। '
-----------------------------------------------
Worth reading
উত্তরমুছুন