This blog contains short stories, poems written by me in Bengali and English and also a few translations in English of some great works of the legendary Rabindranath Tagore.
বুধবার, ৩১ মে, ২০২৩
অবাস্তব
রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩
আগুন 🔥
আগুন 🔥
(এগরায় বারুদ বিস্ফোরণে দগ্ধ, ঝলসে-যাওয়া শ্রমিকদের জন্য প্রার্থনা।)
কালাগ্নিশিখা জ্বলে' জ্বলে' ওঠে মূর্ত মৃত্যুরূপে,
ঝর ঝর ধারা ঝরাও হে মেঘ, দগ্ধ লাশের স্তুপে।
ক্ষুদিত শিশুর ক্ষুধার দহন সইতে পারেনা যারা,
কাপালিকদের হাঁড়িকাঠে যায় গর্দান দিতে তারা।
দেশে দেশে আর দিশে দিশে আজ আগুনের কারবার,
বারুদের গোলা, বারুদের গুলি, রক্ত ও হাহাকার !
বিস্মৃত আজ প্রমিথিউসের অসাধ্য সাধন দ্রোহ,
স্বর্গের শিখা মর্ত্যে আনার কালান্তক বিদ্রোহ।
সৃষ্টি-হোমের সে পুন্য পাবক শয়তানী অনাচারে,
নরক-অনলে পোড়ায় বিশ্ব শস্ত্রের কারবারে।
নরমেধ যাগ, তন্ত্র সাধনা, হিংসার রণ হুংকার,
নীরব হয়েছে প্রেমের দেবতা, 'শান্তি' নিরুচ্চার।
কুরুক্ষেত্র ছড়িয়ে পড়েছে ঘর হতে পৃথিবীতে,
গণচিতা আর জ্বালাতে হয় না, জ্বলে তা আচম্মিতে।
এসো এসো ত্বরা শ্যামসুন্দর মৃত্যুশীতল বারিধার--
জুড়াক ধরণী দগ্ধা জননী, নিভাও শোকের আগুন তার।
(In Greek Mythology, Prometheus who
was sanctioned eternal punishment
for defying the Gods and stealing
Fire from Heaven to alleviate
sufferings of the Humanity.)
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮/০৫/২০২৩
কলকাতা।
মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩
খণ্ড মেঘ ও চাতক।
বুধবার, ৩ মে, ২০২৩
বৈশাখী পূর্ণিমা
বৈশাখী পূর্ণিমা
(পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত)
“ যদা যদাং হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারতঃ।
অভ্যুত্থানম্ ধর্মস্য তদাত্মানম্ সৃজাম্মহম্।।“
— মন্দ্রিত আকাশবাণী, অবতীর্ণ দেব তথাগত !
“বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি
সঙ্ঘং শরণং গচ্ছামি
ধম্মং শরণং গচ্ছামি”
সোমবার, ১ মে, ২০২৩
২৫শে বৈশাখ
স্মরণ
(কবিপক্ষের অন্তিম কাল। আবারো তাঁর জন্মদিন সমাগত।
এই সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের স্মরণে কিছু লিখবার,
কিছু বলবার ব্যাকুলতা জাগে।)
২৫শে বৈশাখ
পথ হয়ে এলো শেষ জীবনের সায়াহ্ন বেলায়।
দাঁড়ায়ে রয়েছি "এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে" --
বিষন্ন সৈকতে।
সম্মুখে আমার অতলান্ত মহাপারাবার।
অপরিমেয় ঐশ্বর্য সম্ভারে পূর্ণ রত্নের আকর,
রসের তরঙ্গ ভঙ্গে, ভাবের উচ্ছ্বাসে উতরোল।
অতলে আগ্নেয়গিরি তাঁর, বাড়বাগ্নিশিখা,
জ্বালাময়ী ;
অবিরাম মৃত্যু শোক, আত্মজন বিয়োগ যন্ত্রণা, হাহাকার।
বিশ্বব্যপ্ত বর্বরতা, অমানুষী অত্যাচার প্রবলের,
অসহায় অশ্রু জল অন্নখোঁটা প্রাণকণিকার,
নিভৃত ক্রন্দন বিচারের শাশ্বত বাণীর --
যেন অগ্নিস্রাবী উল্কাপিন্ড, নিরন্তর ঝরছে অঝোরে
প্রেমের শ্যামল-মেঘে-চির-সুকোমল ওই বুকে।
রূঢ়তা এসেছে কখনো বা সুকঠিন সত্য উচ্চারণে,
লেখনীর রক্তলেখায়।
তবুও সে বাক্যবন্ধে কত আবরণ, কত আভরণ,
ধ্বনির ঝঙ্কার কত রুদ্র সুন্দরের ;
ডমরু ডঙ্কারে যেন নটরাজ শঙ্করের প্রলয় নর্তন।
হে প্রচেতঃ, নব নব সৃজনের মহা ব্যাকুলতা কূলে কূলে ;
অন্তরে অচল শান্তি, প্রসন্নতা, সপ্তর্ষির ধ্যানতন্ময়তা,
নিবাত নিষ্কম্প মহাচৈতন্যের দীপ্ত দীপশিখা।
আলো তার বিচ্ছুরিত অমর সঙ্গীতে,
অসীমের বন্দনার সুরে,
সুরলোক হতে যেন সুরধুনী ধারা অফুরান,
শুধু বঙ্গে নয় কবি, বিশ্ব চরাচরে।
অতুল বৈভব এই, হৃদপিন্ড-ছিন্ন-করা অমৃতের
অনিঃশেষ মহাকুম্ভ।
অধিকার দিয়ে গেলে তুমি ; কিন্তু এ কী ভার !
শক্তি নাই বইবার ন্যুব্জ দেহ মনে।
সভ্যতার সঙ্কট আরো তীব্র, আরো ঘোর বীভৎস এখন।
শোষণের, শাসনের, সন্ত্রাসের মারণ তাণ্ডব দিকে দিকে,
নারীঘাতী, শিশুঘাতী, কৃষ্টিনাশা সমরাস্ত্র, রৌরব আত্মহননের !
বসুন্ধরার পঞ্জরতলে কম্পন জাগে আজও --
কী মহাশঙ্কার !
সর্বংসহ হে বিশ্ববিবেক, পঁচিশে বৈশাখে আরো একবার
দেখা দাও রবি, দেখা দাও হে মহামানব মূর্ত চেতনার --
এসো, জ্যোতির্ময়, বাণীর ভর্ৎসনা হানো,
হে অমর কবি,
নির্বিবেক সভ্যতার ছলনার ক্লীবত্বের 'পরে।
নও ছবি, নও ছবি, নও তুমি প্রতিকৃতি সম্মুখে আমার --
সত্য ও সুন্দরের জ্যোতির্লেখা ও-দৃষ্টিতে, জাগ্রত রয়েছে
যেন চিরদীপ্ত ধ্রুবতারকার।
(পরিমার্জিতরূপে পুনঃ প্রকাশিত।)
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,
২৩শে বৈশাখ, ১৪৩১।
Recently published
অমূল্য
He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed. ...
-
বৈশাখী পূর্ণিমা (পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত) বিষণ্ণ সায়াহ্ন বেলা, ক্ষীণ জলধারা অজয়ের। পাড়ে আছি বসে। রৌদ্র-দহন-দগ্ধ পাথরের টিলা, আধ-ডোবা পানস...
-
শ্রীমদ্ভগবত গীতায় অর্জুন-১৩ শ্রীগীতার এই ত্রয়োদশ অধ্যায়টি " ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞবিভাগযোগ"। অধ্যায়টি জটীল ও এই যোগ জানায় পরমাত্ম...
-
শ্রীমদ্ভগবত, অর্জুন --পর্ব ১২ ভক্তিযোগ একাদশ অধ্যায় আমাদের সেখানেই শেষ হোল যেখানে শ্রীকৃষ্ণ ভগবান প্রাপ্তির সর্বশে...