বুধবার, ৩১ মে, ২০২৩

অবাস্তব

"Hail to thee, blithe spirit, 
Bird thou never wert, 
That from Heaven, or near it, 
Pourest thy full heart 
In profuse strains of unpremeditated art." 

                                 "To a  Skylark" 
                       ------ Percy Bysshe Shelley. 

               অবাস্তব 

সোনালী ডানার চিল, কোথা তুমি ? 
উড়ে গেলে দূরে, বহু দূরে, 
দিগন্তরেখার ওই সীমান্তের পারে 
গলিত সোনায় সিক্ত নিষ্কম্প ডানায় 
কারে যেন ডাক দিয়ে তীক্ষ্ণ তীব্র স্বরে। 
অস্তাগামী সবিতৃর কল্যাণ-সিন্দুরমাখা 
তোমার ওই রূপ কী যে অপরূপ, 
তুমি জানো কি বিহগ ? ম্লান হোল 
সন্ধ্যার স্বর্ণাঞ্চলে মেঘেদের সুবর্ণ গৌরব। 
দিনান্তের সান্ধ্যমায়া রাত্রির আঁধার হয়ে 
নেমে এলো ধীরে। ফিরেছ, কি ফির নাই -- 
জানি না তা, জানতেও চাই না তা আমি। 
সুদূরে হারালে কেবা আর আসে ফিরে ফিরে ? 

এতো সুখ, আরাম বিশ্রাম, কামনা সঙ্গিনী, 
বনস্পতি-বাস, সুশীতল সুরম্য জীবন 
ছিল কি আবদ্ধ ক্লিন্ন ক্লিষ্ট বনবাস ? তাই-- 
মৃত্যুপণে মুক্তি চেয়ে 'ভ্রষ্টনীড়' অসীমে উধাও ! 
দৃষ্টির সীমান্তপারে আছো কি কোথাও 
নভোচারী ? নাকি শুধু মুক্তপক্ষ বিমূর্ত উড়ান ? 

দেহের বন্ধন-ছিন্ন বিহঙ্গের দৃষ্ট বর্ণ, শ্রুত কণ্ঠস্বর 
জড়ের জড়ত্ব-মুক্ত, বিশ্বের চৈতন্য মাঝে রয়েছে অমর। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
০২/০৬/২০২৩ 
কলকাতা। 









রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

আগুন 🔥

আগুন 🔥 



(এগরায় বারুদ বিস্ফোরণে দগ্ধ, ঝলসে-যাওয়া শ্রমিকদের জন্য প্রার্থনা।) 


কালাগ্নিশিখা জ্বলে' জ্বলে' ওঠে মূর্ত মৃত্যুরূপে,
ঝর ঝর ধারা ঝরাও হে মেঘ, দগ্ধ লাশের স্তুপে।
ক্ষুদিত শিশুর ক্ষুধার দহন সইতে পারেনা যারা,
কাপালিকদের হাঁড়িকাঠে যায় গর্দান দিতে তারা।
দেশে দেশে আর দিশে দিশে আজ আগুনের কারবার,
বারুদের গোলা, বারুদের গুলি, রক্ত ও হাহাকার !
বিস্মৃত আজ প্রমিথিউসের অসাধ্য সাধন দ্রোহ,
স্বর্গের শিখা মর্ত্যে আনার কালান্তক বিদ্রোহ।
সৃষ্টি-হোমের সে পুন‌্য পাবক শয়তানী অনাচারে,
নরক-অনলে পোড়ায় বিশ্ব শস্ত্রের কারবারে।
নরমেধ যাগ, তন্ত্র সাধনা, হিংসার রণ হুংকার,
নীরব হয়েছে প্রেমের দেবতা, 'শান্তি' নিরুচ্চার।
কুরুক্ষেত্র ছড়িয়ে পড়েছে ঘর হতে পৃথিবীতে,
গণচিতা আর জ্বালাতে হয় না, জ্বলে তা আচম্মিতে।
এসো এসো ত্বরা শ্যামসুন্দর মৃত্যুশীতল বারিধার--
জুড়াক ধরণী দগ্ধা জননী, নিভাও শোকের আগুন তার। 

 

(In Greek Mythology, Prometheus who 

was sanctioned eternal punishment 

for defying the Gods and stealing 

Fire from Heaven to alleviate 

sufferings of the Humanity.) 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮/০৫/২০২৩
কলকাতা।




মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩

খণ্ড মেঘ ও চাতক।

বৈশাখের সূর্য যেন কোপানল মুনি দুর্বাসার। 
তাপদগ্ধ পৃথিবীর কাতর প্রার্থনা 
ফিরে ফিরে আসে উপেক্ষায়। 
ধূলিসমাকীর্ণ ভূমি, ধূসর আকাশ, 
পিপাসায় মুহ্যমান বন উপবন। 
দিন দিনান্তে মেশে, নিষ্ঠুর গৌ-ধূলি যেন 
স্ফুলিঙ্গ চিতার। 
রক্তনেত্র সবিতৃ তাপস অস্তাচলে -- 
সতীহারা রুদ্র মহাকাল। 
ত্রস্ত ভীত চরাচরে ওঠে হাহাকার, 
"জল দাও, একবিন্দু জল" 
নিরুত্তর জগৎ সংসার। 
অতিক্ষুদ্র চাতকিনী-- যেন সে ভিক্ষুণী 
অনাদপিন্ডদসূতা 
উড়ে গেল আকাশের ভেঙে ধূসরিমা, 
ভেঙ্গে দিয়ে আপনার অসাধ্যের সীমা। 
ফিরে তো আসেনি সে স্বরূপে ; 
 তবে কি অরূপে ওই অপরূপ খণ্ডমেঘ 
তারই রূপান্তর ? 
নবজীবনের আশা, আসন্ন বর্ষার দৈববাণী ? 
হে চাতক, মৃত্যুঞ্জয়ী তপস্যার বিমূর্ত সে রূপ-- 
মহাপ্রাণ ! 
অমর্ত্যের আশীর্বাদ জয় করে এনেছে সে 
আপনারে দিয়ে বলিদান ? 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
২২/০৫/২০২৩। 
কলকাতা। 

বুধবার, ৩ মে, ২০২৩

বৈশাখী পূর্ণিমা

বৈশাখী পূর্ণিমা

(পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত)


বিষণ্ণ সায়াহ্ন বেলা, ক্ষীণ জলধারা অজয়ের।
পাড়ে আছি বসে। রৌদ্র-দহন-দগ্ধ পাথরের টিলা,
আধ-ডোবা পানসির ভাঙা হালে দিনান্তের বক,
দেখি ওই হোথা, বালির চড়ায় শিখা-মরা চিতাগ্নির
জ্বলন্ত আঙার ! 
 তৃষাতুর ধরিত্রীর জ্বরাতুর শ্বাস—
বইতে পারেনা আর শোকাতুর বৈশাখী বাতাস।

ওপারে সন্ধ্যা আসে বিলম্বিৎ লয়ে।
এপারে বহুদূর পশ্চিমের দিগন্তরেখায়,
এ-নদের উৎসমুখে পাহাড় চূড়ায়,
অস্তগামী দিবাকর, রক্তনেত্র রক্তাম্বর,
এখনো আসীন, যেন এক তন্ত্রসিদ্ধ তাপস ব্রাহ্মণ ! 
প্রাণহীন বিপন্নতা ছেয়ে আছে জগৎ-জীবন।

অকস্মাৎ উদ্ভাসিত পূবের আকাশ
গেরুয়া বসন, স্মিতহাস্য দিব্যদ্যুতি, প্রসন্ন আনন,
মূর্তি তাঁর দৈব করুণার,
দৃষ্টি তাঁর ক্ষমা, শান্তি, শান্ত-সান্ত্বনার।
প্রবল নৈরাশ্য মাঝে প্রচণ্ড আশ্বাস—
মরণ আঁধার মুখে আলো পরিহাস।

আমি স্বপ্নাহত—
আজ কি আবার সমাগত—
সেই পুণ্য তিথি, সেই জন্মব্রত,
লুম্বিনী কানন, বিশ্বপ্লাবী জ্যোৎস্নার প্লাবন,
হিমাদ্রী-শীতল মৃদু সমীরণ— পুষ্পগন্ধে ভরা। 
মায়াদেবী— গর্ভযন্ত্রনা-ভাঙা আনন্দের আসীম ক্রন্দন?

 

“ যদা যদাং হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারতঃ।
অভ্যুত্থানম্‌ ধর্মস্য তদাত্মানম্‌ সৃজাম্মহম্‌।।“

  মন্দ্রিত আকাশবাণী, অবতীর্ণ দেব তথাগত ! 

এলো নবযুগ, পশুতে-মানুষে-মেশা যে চেতনা
ছিল বিশ্বময়, হবে তার ক্ষয়,
হবে হবে জয় মানব-আত্মার।
দুঃখ-দীর্ণ, জরা-জীর্ণ, মৃত্যু-বিদ্ধ জীবনে কি 
দেখা দিবে সত্যের আলোক।   

বিলয়ের হাত ধরে সৃষ্টি আসে,
স্থিতি হাসে ক্ষণপ্রভা বিদ্রুপের হাসি,
জয় লয় থাকে পাশাপাশি।
জিঘাংসার আস্ফালন লীন হয় মহাসর্বনাশে।
রাজার প্রাসাদ হতে ভিখারীর ঘর—
নিশ্চিত প্রলয় ঝড়ে কাঁপে থর থর।

ঐশ্বর্য-সম্পদ-বিত্ত, জীবন সংসার
যুদ্ধ ভেরি, জয়ডঙ্কা, রক্তভেজা শস্ত্র-তরবারি,
বিজয়ীর অট্টহাসি, পরাভূতের আর্ত হাহাকার—
ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ সমুদ্রের ফেনপুঞ্জ— তরঙ্গ লহরি
নিমেষে বিলীন হয় মহাস্তব্ধতায়।

নরমেধ সঙ্কল্পের শেষে—
অশ্বমেধ, হস্তিমেধ, রাজসূয় মহাযজ্ঞ,
অহংকার, অসূয়ার অভ্রভেদী শিখা—
তৃষ্ণাবিদ্ধ মরুদেশে মিথ্যা মরীচিকা।

চণ্ডালিকা হতে রাজরাণী,
স্বরাট সম্রাট হতে পথের ভিখারী,
পথভ্রষ্ট পথিকের কামনার পরম প্রসাদ—
মহাসত্য, মহাবাণীঃ-- "মৃত্যু নিত্য-শুদ্ধ, নয় সে প্রমাদ।

‘সব্বম দুঃখম’— শোন, জগতের প্রাণ,
দুঃখ আছে, কারণও আছে, আছে আছে
নিবৃত্তি উপায়— সে সাধন তোমাতেই আছে বিদ্যমান।
মা মা হিংসি— রক্ত নয়, আত্মত্যাগ সুধা কর পান।“

 

“বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি  
সঙ্ঘং শরণং গচ্ছামি
ধম্মং শরণং গচ্ছামি”

 

বিদিশা, শ্রাবস্তী, উজ্জয়িনী, দশার্ন প্রদেশ -- 
জনপদ অসংখ্য অশেষ, উথাল পাথাল।
শ্রমণ শ্রমণা কত ভিক্ষু-ভিক্ষুণী দলে দলে
অমিতাভ, তোমার চরণ প্রান্তে নিয়েছিল ঠাঁই। 
গেয়েছিল গান মার্গ অষ্টাঙ্গিক -- 
সৎ বাক্য-চেষ্টা-শ্রম-সংকল্প-দৃষ্টি-জীবিকা-শ্রবন 
আর মহাসমাধির মাঝে নিষ্কাম বিলয় 
যা কিছু নশ্বর, যা কিছু ঐহিক। 
পারত্রিক কিছু নাই। শূন্য হতে জাগে সৃষ্টি, 
শূন্যেতে বিলীন। বিপুল বিরাট 'নাস্তি' 
অস্তিত্বের শেষের আশ্রয়।

এতক্ষণ স্বপ্নাবিষ্ট মন ছিল সেথা, যেথায় বৈশালী
রাজগৃহ, সারনাথ, মগধ, কোশল। সাথে ছিল
বিম্বিসার, সারিপুত্ত, অশোক, মল্লিকা, আম্রপালি।
ছিল বুদ্ধ গয়ায় বোধিবৃক্ষ ছায়ে, কৌশাম্বির অমর কাননে,
যমুনার তীর হয়ে জাহ্নবীর ঘাটে ঘাটে, 
সিন্ধু হতে সিন্ধুনদ পারে, 
কৃষ্ণা, কাবেরী, নর্মদার তরঙ্গ ধারায়, 
দিক হতে দিগন্তরে, দেশে দেশান্তরে, 
মায়া-মোহ-বিনির্মুক্ত চৈতন্যের জ্যোতিঃপারাবারে। 

ঘোর কাটে, দেখি আচম্বিতে
মধ্য গগনে চন্দ্রদেব—
জগৎ সংসার ভাসে আলোর জোয়ারে।
আমি একা বসে আছি অজয়ের পাড়ে—
নিশুতি রাতের শান্তি এপারে ওপারে। 

পেরিয়ে এলাম যেন হাজার বছর,
পেরিয়ে এলাম কত জন্ম-জন্মান্তর,

আজও আছেন চেয়ে সে মহা শ্রমণ—
অক্ষয়, অব্যয় সত্য বুদ্ধ-নিরঞ্জন।

অহো মৃত্যুঞ্জয়, মন্ত্র করো দান—
আত্মত্যাগ আত্মাহূতি আত্মমুক্তি—  
ক্ষমা, ক্ষেম, মহামোক্ষ—মহাপরিনির্বাণ। 
ঝরুক শীতল জ্যোৎস্না জীবনের চিতাভস্ম 'পরে, 
কোলাহল স্তব্ধ হোক্ প্রশান্তির মহাপারাবারে।।


দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় 
০১-০৫-২০২৬




সোমবার, ১ মে, ২০২৩

২৫শে বৈশাখ

 

স্মরণ  


(কবিপক্ষের অন্তিম কাল। আবারো তাঁর জন্মদিন সমাগত। 

এই  সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের স্মরণে কিছু লিখবার, 

কিছু বলবার ব্যাকুলতা জাগে।)



২৫শে বৈশাখ


পথ হয়ে এলো শেষ জীবনের সায়াহ্ন বেলায়। 

দাঁড়ায়ে রয়েছি "এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে" -- 

বিষন্ন সৈকতে। 

সম্মুখে আমার অতলান্ত মহাপারাবার। 

অপরিমেয় ঐশ্বর্য সম্ভারে পূর্ণ রত্নের আকর, 

রসের তরঙ্গ ভঙ্গে, ভাবের উচ্ছ্বাসে উতরোল। 

অতলে আগ্নেয়গিরি তাঁর, বাড়বাগ্নিশিখা, 

জ্বালাময়ী ; 

অবিরাম মৃত্যু শোক, আত্মজন বিয়োগ যন্ত্রণা, হাহাকার। 

বিশ্বব্যপ্ত বর্বরতা, অমানুষী অত্যাচার প্রবলের, 

 অসহায় অশ্রু জল অন্নখোঁটা প্রাণকণিকার, 

নিভৃত ক্রন্দন বিচারের শাশ্বত বাণীর -- 

যেন অগ্নিস্রাবী উল্কাপিন্ড, নিরন্তর ঝরছে অঝোরে 

প্রেমের শ্যামল-মেঘে-চির-সুকোমল ওই বুকে। 

রূঢ়তা এসেছে কখনো বা সুকঠিন সত্য উচ্চারণে, 

লেখনীর রক্তলেখায়। 

তবুও সে বাক্যবন্ধে কত আবরণ, কত আভরণ, 

ধ্বনির ঝঙ্কার কত রুদ্র সুন্দরের ; 

ডমরু ডঙ্কারে যেন নটরাজ শঙ্করের প্রলয় নর্তন। 

হে প্রচেতঃ, নব নব সৃজনের মহা ব্যাকুলতা কূলে কূলে ; 

অন্তরে অচল শান্তি, প্রসন্নতা, সপ্তর্ষির ধ্যানতন্ময়তা, 

নিবাত নিষ্কম্প মহাচৈতন্যের দীপ্ত দীপশিখা। 

আলো তার বিচ্ছুরিত অমর সঙ্গীতে,  

অসীমের বন্দনার সুরে, 

সুরলোক হতে যেন সুরধুনী ধারা অফুরান, 

শুধু বঙ্গে নয় কবি, বিশ্ব চরাচরে। 

অতুল বৈভব এই, হৃদপিন্ড-ছিন্ন-করা অমৃতের  

অনিঃশেষ মহাকুম্ভ। 

অধিকার দিয়ে গেলে তুমি ; কিন্তু এ কী  ভার ! 

শক্তি নাই বইবার ন্যুব্জ দেহ মনে। 

সভ্যতার সঙ্কট আরো তীব্র, আরো ঘোর বীভৎস এখন। 

শোষণের, শাসনের, সন্ত্রাসের মারণ তাণ্ডব দিকে দিকে, 

নারীঘাতী, শিশুঘাতী, কৃষ্টিনাশা সমরাস্ত্র, রৌরব আত্মহননের ! 

বসুন্ধরার পঞ্জরতলে কম্পন জাগে আজও -- 

কী মহাশঙ্কার ! 

সর্বংসহ হে বিশ্ববিবেক, পঁচিশে বৈশাখে আরো একবার 

দেখা দাও রবি, দেখা দাও হে মহামানব মূর্ত চেতনার -- 

এসো, জ্যোতির্ময়, বাণীর ভর্ৎসনা হানো, 

হে অমর কবি, 

নির্বিবেক সভ্যতার ছলনার ক্লীবত্বের 'পরে। 

নও ছবি, নও ছবি, নও তুমি প্রতিকৃতি সম্মুখে আমার -- 

সত্য ও সুন্দরের জ্যোতির্লেখা ও-দৃষ্টিতে, জাগ্রত রয়েছে 

যেন চিরদীপ্ত ধ্রুবতারকার। 


(পরিমার্জিতরূপে পুনঃ প্রকাশিত।)

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,
২৩শে বৈশাখ, ১৪৩১। 

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...