শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২

দুই শূণ্য দুই তিন

পূর্ব পশ্চিম জোড়া, উত্তর দক্ষিণে ঘেরা 
বিপুল এ পৃথিবীর ঘরে ঘরে নূতন আলোক, 
নূতন বছর। 'ছিল-কি, ছিল-না ভালো গতকাল'--- 
থাক্ সেই পুরাতন কথা, থাক দুঃখ ব্যথা, 
অভিমান, মান-অপমান, বিরহের সকরুণ গাথা, 
পাওয়া, না-পাওয়ার অঙ্ক শূন্যে হোক লীন। 
জগতের অপরাধ আপনার রক্তধারে ধুয়ে 
প্রেমের প্রদীপ্ত শিখা জ্বালিয়েছে নররূপী 
দেবতার দূত, দিয়ে গেছে বাণী অহিংসার। 
যুগান্ত পারের সেই দিব্যদ্যুতি, সেই পুণ্য বাণী 
আসুক স্মরণে আজ নূতন বছরে। দ্বন্দ্বদীর্ণ, 
ক্লান্ত বসুন্ধরা। মিথ্যার কুয়াশা-ঢাকা অস্পষ্ট 
চেতনা মুক্ত হোক বিশ্বজয়ী, সর্বব্যাপী প্রেমে। 
মহাকাল --- খণ্ডে খণ্ডে ভাগ হয়, আসে যুগ, 
দিন ক্ষণ মাস, বৎসর শতাব্দী বা সহস্রাব্দ যত ! 
মূল্য তার কতটুকু, যদি না সে নিত্যকাল 
নব নব রূপে আসে নবালোকে স্নিগ্ধ হয়ে 
নিশান্তে প্রভাতে ? অতীতের যত কিছু কালো 
এবার তো মুছে যাক্, আশার প্রদীপখানি জ্বালি' 
মহাসমারোহে এসো হে নূতন, স্বর্গভাঙা আলো।। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৩১শে ডিসেম্বর, মধ্যরাত্রি, ২০২২, 
স্বাগত জানুয়ারি ২০২৩, 
ব্যাঙ্গালোর। 









মধুর বাঁশরী বাজে

মধুর বাঁশরী বাজে 


মধুর বাঁশরী বাজে আজও --- দিনমানে, রাত্রিবেলা, 
সন্ধ্যায় সকালে, আনন্দে বিষাদে, বিরহে মিলনে, 
রাগে অনুরাগে। এমন কাল কি ছিল কোন কালে ? 
 শুধুই কি কল্পনা বিলাস ? ব্রজধাম বা বৃন্দাবন, 
মান, মাথুর, নৌকা বিলাস কিংবা রাসোৎব --- 
সকলি কি কবিদের স্বপ্নাচ্ছন্ন হৃদয় প্রাঙ্গনে ? 
নাকি ছিল ? ছিল বন বনান্তর, ছিল সরোবর -- 
স্ফটিক সলিল। যমুনা পুলিনে ছিল শ্যামরায়, 
রাইধনি সঙ্গে গোপাঙ্গনা, ময়ূর ময়ূরী নৃত্য 
গন্ধর্বের মৃদঙ্গের তালে, কঙ্কন কিঙ্কিনী আর 
নূপুর শিঞ্জিনী ছন্দে উতরোল সে মধুযামিনী। 
মুরলীধ্বনি সঙ্কেত-গামিনী শ্রীরাধার অভিসার 
নীল যমুনার তটে ভরা ঘটে মলয়-দোলায়িত 
বেতসের তরুকুঞ্জতলে। মর্তে যেন অমর্ত্যের 
প্রণয়বাসর। কোথা বৃন্দাবনচন্দ্র, ব্রজের দুলালী, 
বৃন্দাবন-বিলাসিনী রাই ? উধাও হয়েছে সব -- 
পড়ে আছে শব জনারণ্যে সে ব্রজলীলার। 
মৃতপ্রেম জনপদে লালসা আগুন জ্বলে 'শ্যামেদের', 
পুড়ে মরে কত 'রাধারাণী', ঊর্ধশ্বাস জীবনের ব্যর্থ 
 অভিসারে রাসকুঞ্জ নিসিদ্ধ পাড়ায়। দূর বা অদূর- 
 দর্শনে দেখি উপাখ্যান 'মৌসল' পর্বের এ মহাভারতে। 

                            গেছে চলে যা ছিল যাবার। 
 আজ সন্ধ্যা রাস পৌর্ণমাসী। হৃদয় নন্দনবন 
আবিল জ্যোৎস্নায় গেছে ভেসে, মন্দ ধূলি ঝড়ে 
গন্ধ আসে তীব্র চোলাইয়ের। নগরীর প্রান্তদেশে, 
প্লাস্টিকের চটে-মোড়া কোন এক বস্তির কুটীরে, 
শ্রান্ত রজকিনী মাথার দুর্বহ ভার সঁপে তার প্রেমাস্পদ 
নাগরের হাতে ক্লান্তিমাখা হাসিমুখে। এ নয় 'চণ্ডীদাস'। 
 নাই হোক্, হোক্ কোন ব্রাত্য 'দ্বিজদাস', তবু থাক্ 
এই প্রেম।'স্মরগরলখণ্ডনম্', বলুক সে সোহাগের 
প্রাকৃত ভাষায়। তারপর রতিমগ্ন ঘুম, সুস্বপ্ন-বিলাস। 
কল্পনার মোহাঞ্জন মেখে রাত কাটে, ভৌর হয় বুঝি, 
অন্ধ বৈতালিক সুস্বরে বাজায় বাঁশী, কীর্তনের সুরে, 
"রাই জাগো গো, জাগো শ্যামের মনমোহিনী 
বিনোদিনী রাই।" উঠে পড়ে সোহাগিনী রজকরমণী। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
০৬- ০১-২০২৩ 
ব্যাঙ্গালোর। 



















রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

ক্ষমা

(Corona: 
Millions have been infected, thousands died in a day in China. --News)

"মরিছে তাপে, মরিছে লাজে
প্রেমের বলহীনতা। 
ক্ষম হে মম দীনতা।।" 
                  _______রবীন্দ্রনাথ।  



হিংসার যুপকাষ্ঠে আত্ম বলিদান 
দিয়ে তুমি বলেছিলে ঈশ্বর সন্তান, 
" এরা যে অবোধ, ক্ষমা করো পিতা, 
হিংস্রতার হেন অপরাধ। চির অবনতা 
এ পৃথিবী, আত্মগ্লানি অন্তরে অন্তরে 
চিতাগ্নি শিখার মতো, যুগ যুগ ধরে 
সন্তাপ পোড়াবে তার যত পাপ তাপ।" 

যুগ মরে যুগান্তরে, অব্দ আজ সহস্রাব্দ পারে 
আত্মসংবিদ্ হারা লালসার ঘন অন্ধকারে 
অন্ধ করে রেখেছে চেতনা, মায়ামোহ ঘোরে 
আবিল বিবেক। সভ্যতার নরমেধে ঘৃতাহুতি 
 আত্মহননের। বিশ্বজোড়া নির্লজ্জ দুর্মতি--- 
 জন্ম দেয় উদগ্র 'ফাউস্ট', জ্ঞানের শয়তান। 
প্রেম তার বাসুকীর বিষ, দম্ভ তার পিশাচের দান। 

ক্ষমা কর মুক্তিদাতা, এসো নিয়ে স্বর্গ-ভাঙা আলো, 
"তমসো মা জ্যোতির্গময়ঃ," প্রেমের প্রদীপশিখা জ্বালো। 

টিকা: 
ফাউষ্ট ম্যাজিক শেখার জন্য নিজের আত্মাকে  শয়তানের কাছে বিক্রি করে দিল, যাতে সে আগামী (চব্বিশ  বছর) বহু বছর জ্ঞান ও ক্ষমতায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে  উঠতে পারে। পরে একদিন Christopher Marloe- র  The Tragical History of Dr. Faustus নিয়ে  আলোচনা করার ইচ্ছা রইল। 


দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
২৫শে ডিসেম্বর, ২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 
 








শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২

🌹 গোলাপ

  হিমেল সকালে একটি গোলাপ 
            দিল সে সংগোপনে, 
  "আজকের মতো এই উপহার 
                    নিও প্রসন্ন মনে। 
যদি ভাবো তুমি, এতো সব নয় 
               আরো কিছু ধন চাই, 
  ক্ষমা কোরো তবে, হে প্রিয়তম, 
                  আরও সুন্দর নাই।" 

"শোন তুমি ওগো, অদেখা দাত্রী, 
          দেখা দাও এক পলকের, 
এ-তো ফুল নয়, যেন মনে হয় 
          সুরভী তোমার অলকের।"

      যুগান্তরের সে অলখ প্রেম 
          আজো আসে নিতি প্রভাতে, 
আজও আসে ঊষা বিমল কিরণে 
                দাঁড়ায় অমল শোভাতে। 
গান গেয়ে যায় ভিন দেশী পাখী 
                ফোটে ফুল ফুল-কাননে, 
ঘুমভাঙা শিশু হামাগুড়ি দেয় 
                  স্বর্গের হাসি আননে। 
শীতল বাতাসে সুর ভেসে আসে, 
                সাহানার আর পূরবীর। 
অপরাজিতার চোখে আসে জল 
              ঢং দেখে রাঙা করবীর। 
        দুই চোখ ভরে' জন্মে জন্মে 
                     চির সুন্দরে দেখেছি, 
 অনিলে আলোতে তার সে পরশ 
                     অঙ্গে অঙ্গে মেখেছি। 
   তবু তার সাথে হয় না তো দেখা, 
              দেখি নাই তাকে প্রতিমায়, 
   ক্ষণিক চকিতে ঝলকানি দিয়ে 
               নিমেষে হারায় নীলিমায়। 
   আজ গোলাপের বর্ণে গন্ধে 
                 রূপে লাবন্যে সুষমায়, 
   মধুর আলোকে, মধুর বাতাসে --- 
                   সুন্দর, এ কী মহিমায় ! 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২৩-১২-২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 

  





















বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

উপনিষদ


"শ্যামাৎ শবলম্ প্রপদ্যে 
শবলাৎ শ্যমম্ প্রপদ্যে ...." 
                            ----ছান্দোগ্য উপনিষদ 
'শ্যাম' অর্থে কালো বা অন্ধকার, 'শবল' অর্থে বিচিত্র বা বহুবর্ণিল। 

অন্ধকার থেকে আলোতে, আলো থেকে অন্ধকারে-- 
এই যাত্রা দিনে রাত্রে সারাটি জীবন, এই যাত্রা 
বাইরে ভিতরে। বাইরে জগতজোড়া আলোর প্লাবন। 
সূর্য ডুবলে আসে চাঁদ, আসে তারাদের মেলা। 



সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২

বাঁশী, তুমি ডেকো না আমায়



চলতে চলতে পথে অকস্মাৎ অকারণে 
চলমান জীবনের মর্মমূলে একান্তে একাকী 
শুনি যেন সুদূরের বাঁশী। কে যে ডাকে কোথা হতে ? 
কোনদিন দেখি নাই তাকে, দেখি নাই তার সে ভূবন। 
কেনই বা--- তাও তো অজানা ; তবু মনে হয় তাই-ই 
যেন প্রার্থিত আমার। রয়েছি যেখানে, যা কিছুই নিয়ে, 
জানি আমি সবই তো ক্ষণিক --- দুদিনের পান্থশালা। 
তবু কত সুখ, কত দুঃখ, কান্না হাসির আলপনা আঁকা, 
আলাপন চোখে চোখে, হৃদয়ে হৃদয়ে ভালোবাসা, 
কত আশা, অঙ্গে অঙ্গে মিলন পিপাসা, কত চাওয়া 
দেওয়ার, নেবার। সব ছেড়ে, কোন এক রাত্রিশেষে  
নক্ষত্র আলোকসিক্ত, শিশির-শীতল লগ্নে অ-লক্ষ্যে 
প্রস্থান। ওই ডাকে সিদ্ধার্থের মহানিষ্ক্রমণ। নদের 
 নিমাই ঘরছাড়া, সে বাঁশীর সুরে দুকুল হারালো 
রাই, অকূলের খেয়া ধরেছিল মীরা বাই। কতো যে 
বিবাগী হিয়া, যুগে যুগে যুগান্তরে মায়াময়ী গৃহচ্ছায়া 
 ছেড়ে, সংরাগ সলিলরিক্ত, তপ্ত মরুপথে গেছে চলে, 
কোন্ সে অমৃতকুম্ভের সন্ধানে? তাই ভাবি মনে মনে, 
সংগোপনে। উত্তর কিছুই নাই তাও আমি জানি। 
কামনা নিগড়ে বাঁধা জগৎ সংসার --তার দিগন্তপারে, 
যাও তুমি মহাপ্রেম, থাকি আমি বদ্ধ মায়াডোরে।। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
১৯.১২.২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর।












রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

অন্ধকার

                     অন্ধকার 
                   আলোর উৎস 

"......অহম এব ইদম সর্বং।।"

"ন পশ্যো মৃত্যুং পশ্যতি ন রোগং নোত দুঃখতাম্ । 
সর্বং হ পশ্যঃ পশ্যতি সর্বমাপ্নোতি সর্বশঃ।। ইতি।" 
                      ---- ছন্দোগ্য উপনিষদ।
                                             (ষড়্ বিংশ খণ্ড)

নিভে নিভে আসে চিতার আগুন আঁধার এসেছে ঘিরে, 
শ্মশানবন্ধু এসেছিল যারা সকলে গিয়েছে ফিরে। 
একা আমি আর আলো-হারা নিশা, নীরব নিথর নদীচর, 
অমাবস্যার নিবিড় কালিমা ঢেকেছ বিশ্ব চরাচর। 
আকাশে চন্দ্র তারকা গিলেছে কৃষ্ণ মেঘের রাহু, 
হঠাৎ সমুখে কে এসে দাঁড়ালো বাড়িয়ে নগ্ন বাহু ! 
নাই আবরণ, নাই আভরণ, উলঙ্গ কঙ্কাল --- 
তমিস্রার এ কী ঘনীভূত রূপ, নাকি এ ইন্দ্রজাল ! 

"কে তুমি এখানে, মৃত না জীবিত, নিভন্ত চিতার পাশে ?" 
চকিতে চেতনা ফিরে পাই, দেখি দিগন্তে চাঁদ হাসে। 
পূর্ব গগনে ঊষসী আভাস, ভোরের তারাটি ম্লান। 
কেটে গেছে মেঘ, দ্যুলোক ভূলোক করেছে প্রভাতী স্নান। 
কখন এসেছে জোয়ারের জল, শবের দগ্ধরেখা 
ধুয়ে গেছে ; চরে আঁকা আছে পলি-আলপনা লেখা। 
বহে ছল ছল জাহ্নবী জল শাশ্বত প্রাণের কলতান, 
চিতাভষ্মের কালোদাগ ধুয়ে মহাজীবনের জয়গান। 
অন্ধ গুহার অন্তরে জাগে অমৃত মন্দাকিনী, 
তমসাঘন রাত্রির বুকে তমোঘ্ন দিনমণি। 

মরণের কোলে জীবনের দোলা-- এ কী সকরুণ খেলা ! 
নদীর এপারে শ্মশানের শোক, ওপারে বসেছে মেলা। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 



















বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২

কোথায় আলো, কোথায় আলো ?

"অসতো মা সৎগময় তমসো মা জ্যোতির্গময়  
মৃত্যোর্মামৃতং গময় অবিরাবীর্যমএধি  
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং তেন মাং পাহি নিত্যং।।" 
                                      ____বৃহদারণ্যক উপনিষদ  


পোহালো রজনী, পূবের দুয়ারে আগল খুলেছে যেই, 
নবারুণ আলো বন্যর মতো এলো ধেয়ে চকিতেই। 
যা ছিল আঁধারে, যা ছিল আড়ালে দাঁড়ালো মূর্তি ধরে । 
"কি চাও বন্ধু, কতটুকু চাও, নাও তা দুহাত ভরে।"  
সুনীল গগন, মলয় পবন, কাননে পুষ্প সুরভী। 
ভৈরবী তানে বিহঙ্গ গান, তরুলতা রূপ গরবী। 
অতল পাথার, অচল পাহাড়, অঝোর মেঘের ধারা, 
তৃণাসন পাতা শ্যামলা ধরণী ঝরণা-নূপুর পরা। 
নর-নারীকুল আনন্দ আকুল কর্মতীর্থপথে -- 
(যেন) মধুপের দল চিতচঞ্চল চলেছে জীবন-রথে। 

নিশিভর এই স্বপ্ন দেখেই ঘুম থেকে উঠি জেগে --- 
ধূলি আর ধূমে পৃথিবী ঢেকেছে আকাশ ঢেকেছে মেঘে ! 
তপ্ত হাওয়ায় ভেসে ভেসে আসে বারুদের পোড়া বাস, 
মাঠে আঁকা আছে রক্তের রেখা, কুটীরে দীর্ঘশ্বাস। 
শ্মশান চিতার নেভেনা আগুন শিশুর চোখের জলে, 
মৃত সন্তান ফিরে না কখনো মায়ের শূণ্য কোলে। 
এত বৈভবে, রাজৈশ্বর্যে, বিপুল বিশ্ব ভূবনে 
পেলনা মানুষ অমৃতের স্বাদ নিমিত্ত কালের জীবনে ? 
রাত্রি শেষের ঊষার আলোক নিত্যই আসে প্রভাতে, 
কুসুমের কীট আঁধারেই বাঁচে জাগেনা পুষ্পশোভাতে। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
০৮-১২-২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 











Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...