সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২

জন্মান্তর

 প্রতি প্রাতে নব নব জন্মদিন, নব জন্মান্তর। 
বিচিত্র রূপের বিশ্ব দেখি আর ভাবি 
কে নূতন, আমি না আমার এই দেখার ভুবন ? 
উদ্বেল আবেগ নিয়ে জড়ায়ে ধরেছি যাকে 
 বিগত সন্ধ্যায়, উপেক্ষার ধূলা দিয়ে চোখে 
নিয়েছে বিদায় তারাঝরা রাতের কোন তন্দ্রালু প্রহরে। 
বিস্মৃতির অন্ধকারে ডুবে গেছে এমনি অসংখ্য প্রেম, 
ভালোবাসা, মায়া-মোহ, সংরক্ত কামনা।
আবার বিচিত্র আশা মায়াঞ্জন বুলায়েছে চোখে। 
দেখেছি আলোর দূত হাসে আঁধারের ফাঁকে ; 
ফাটা মেঘে উঁকি দেওয়া চাঁদের মতন। 
নূতন ভঙ্গীতে দেখি চিরপুরাতন। 

সুখের দৃষ্টি দিয়ে দেখা এ জগৎ আলোময়, 
কালোময় দুঃখের অশ্রুজলে ডুবে যাওয়া চোখে। 
উন্মত্ত হিংসায় জ্বলা যে আঁখি রক্তিম 
তার দেখা ধরিত্রীর পথে পথে রক্তের রেখা। 
যে গোধূলি নিয়ে এলো প্রাণের প্রণয় 
সেই আলোই আলেয়ার, সন্ধ্যাকালে শ্মশান চিতার। 

আমারই চোখের দৃষ্টি তুলি হয়ে আঁকে যেই ছবি 
আমার মনের ক্যানভাসে, তেমনই এ জগৎসংসার, 
যার ভালো মন্দ, সাদা কালো শুধুমাত্র দেখার বিভ্রম। 
 রূপ তার চিরশুদ্ধ, জ্যোতির্ময়, নিত্য নিরুপম।   
 
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
২নভেম্বর, ২০২২ 
বেঙ্গালুরু। 







 

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২

ভাইফোঁটা

(না, এই ছবি সর্বত্র দেখা যায় না। তবে রয়েছে। ক্রমসম্প্রসারিত নগরায়নের ক্রমবিবর্তিত আর্থসামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে তা ক্রমবর্ধমান এবং 
তা পরিদৃশ্যমানও।) 

______দুর্গা দিদি বাঁচতো যদি_______ 


"দিন ফুরালো, সন্ধ্যা হোল, 
ছায়লো আঁধার নিবিড় কালো, 
কোথা রে ভাই, আয় ফিরে আয়, খুঁজে খুঁজে সারা। 

বাঁশ বাগানে শেয়াল ডাকে, 
সন্ধ্যা তারা মেঘের ফাঁকে, 
বকবো না আর , দে না মাণিক দিদির ডাকে সাড়া।" 

অপু সুদূর পরবাসে, 
দুগ্গা দিদি বৃদ্ধাবাসে 
 ঘোলা চোখের শিখায় খোঁজে অতীত দিনের স্মৃতি। 

এমনি ছিল সাঁঝের বেলা, 
এমনি লুকোচুরি খেলা, 
এমনি ছিল দিদি ভাইয়ের নিত্য জীবন গীতি। 

'ভাইফোঁটার' ভোরের বেলা
দূর্বা ঘাসে শিশির তোলা 
ধান দূর্বা, শ্বেতচন্দন, নাড়ু মুড়কি থালায়। 

''ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা
যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা''--- 
গান গেয়ে সেই ভ্রাতৃবরণ বৈঁচি ফুলের মালায়। 

কোথায় আছো ভাইটি আমার, 
এসেছে তিথি ভাই দ্বিতীয়ার, 
আয় না রে ভাই, আশিস্ দেব বরণ থালা তুলে। 

সকল বালাই আমি নিয়ে, 
আমার আয়ূ তোমায় দিয়ে, 
যাব চলে বিস্মরণে মায়ার বাঁধন খুলে। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
২৭/১০/২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর।














 

সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২

দীপান্বিতা



আর কটা দিন আছে বাকি বলতো মা ঠিক গুণে'।
সেই কটা দিন চলবো এবার তোরই কথা শুনে।
লাভের আশায় যোগ করেছি, বিয়োগ শিখি নাই,
নির্গুণ যা তাই দিয়ে গুণ --- রিপু প্রবল তাই। 
শূণ্য দিয়ে করেছি ভাগ, নাই ভাগফল ভাগশেষ,
আছে চিন্ময়ী চৈতন্য ছাড়া আর সবই অবশেষ ।
দেহাতিকা মতি, সঙ্গে কুমতি, অন্তরে অহমিকা,
পিপাসিত বুকে চলেছি সম্মুখে চোখে মায়া মরীচিকা।
শেষ হোল পথ, রাত্রি ঘনায় নিবিড় অন্ধকার,
দিক দিশাহারা এ কোন্ ভূবন নিশীথ বিভীষিকার !

জ্বালো দীপালোক, দেখি ও-শ্রীমুখ হরহৃদিবিলাসিনী,
তমসা হতে জ্যোতিরালোকে মুক্তি দাও মা ভবানী।

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২৪/১০/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।



















রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২

সমর্পণ

কালী নামে আছে আমার শেষ পারাণীর কড়ি।
সারা জীবন ভুলের বোঝা,
রতন ফেলে পাথর খোঁজা,
আবর্জনা কিনতে গিয়ে বৃথাই দরাদরি।

জমি জিরেত সোনা দানা,
লোভ-লালসা কাম-কামনা, 
খেয়ার মাঝি দিল ফেলে বৈতরণীর জলে।

আমি বসে আছি তীরে,
নয়ন ভাসে অশ্রু নীরে,
অনুতাপের চিতার আগুন 🔥 বুকের ভিতর জ্বলে।

পূজার ছলে তোমায় ভুলে
অহংকারের বেদীমূলে
জল ঢেলে দিন গেল কেটে কখন স্বপ্ন ঘোরে ;

আয়ূ সূর্য নামল পাটে,
এখন এসে খেয়ার ঘাটে
দেখি শূণ্য---পুন্যঘটের জল গিয়েছে মরে।

আমার 'আমি' পুড়িয়ে দিয়ে
বিনিময়ে নামটি নিয়ে---
তাই হবে মা পারের কড়ি তোমার তটে যাবার।

সেই খানে তোর চরণ ধরে
অহং-শূণ্য রইবো পড়ে,
হবে না গতি, যেমনটি মা রক্তরাঙা জবার ?

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২২/১০/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।





















শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২

মান করেছে মেয়ে আমার

 ভয়ঙ্করী রূপে এলি মা ভয় দেখানোর ছলে । 
কালো বলে' কে গাল দিয়েছে কালী কালী বলে' ? 

আষাঢ় মাসে আসে যখন কালো মেঘের রাশি, 
তখন কেন ফোটে লোকের বিরস মুখে হাসি ? 
কুসুম কানন হাসে দেখে কালো ভ্রমর দলে। 
ভয়ঙ্করী রূপে এলি কী ভয় দেখানোর ছলে ? 

পা পড়েছে বরের বুকে জিভ কেটেছিল তাই ? 
দিগম্বরী হয়ে আছিস সে কি মনে নাই ? 
গয়নাগাঠি দেয়নি ভোলা মুণ্ডমালা গলে ? 
ভয়ঙ্করী রূপে এলি কী ভয় দেখানোর ছলে ? 


দুষ্ট মেয়ে বাবার ঘরে মেলেনি তোর ঠাঁই, 
দিগম্বর তোর স্বামীর আবার চাল-চুলো-ঘর নাই। 
তাই নিখিল ভুবন আঙিনাতে নাচিস রুদ্র তালে। 
ভয়ঙ্করী রূপে এলি মা ভয় দেখানোর ছলে। 


আমার বুকে আয় গো শ্যামা আদরিণী মেয়ে, 
ক্ষণিক দাঁড়া, মানিনী মা, দেখি ও মুখ চেয়ে, 
 কালো বরণ ধুইয়ে দেব ব্যথার অশ্রুজলে। 
ভয়ঙ্করী রূপে কেন মা ভয় দেখানোর ছলে ? 


কালো রূপের আড়ালে তোর আলোর পারাবার। 
আমার চোখের কালো সবই মায়ার অন্ধকার।
যাক্ পুড়ে মা মায়ার সে ঘোর আলোর চিতায় জ্বলে'। 
ভয়ঙ্করী রূপ দেখাসনে আর ভয় দেখানোর ছলে।।

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
২২/১০/২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 





বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

নিশাচর

আমি নিশাচর, সইতে পারি না দিনের ‌আলোর জ্বালা। 

নিশীথিনী-কেশ আয় মা করালী বক্ষে মুণ্ডমালা।


দিগ্বসনা দিগম্বরী, এ কী তিমিরবরণা জননী ! 
মহাকাল-বুকে রাখা শ্রীচরণ ? তুই মহাকাল ঘরণী ? 
হস্তধৃত ছিন্নমুণ্ড, মহাখড়্গ,---শোণিত পাত্রে 
কার সে রক্ত? পিপাসা মিটাও ঘনান্ধকার রাত্রে! 


একটি হাতের বরাভয় তোর, কারে বা অভয় দান ? 
সৃষ্টিপ্রসূতা জগজ্জননী, কেন এ রক্তস্নান ? 
বুঝিনা মা, তাই সঙ্গ নিয়েছি রক্তলেহন আশায়, 
মাতৃ প্রসাদে মিটাব পিপাসা উদগ্র লালসায়। 


দীপ্ত দিনের মুক্ত আলোয় হাসিমুখ ব্যভিচার, 
পঞ্চ-ম-কার তান্রিকতায় কাপালিক অভিচার, 
নারকী হিংসা, নরমেধ, হেথা মেদদাহ পূতিগন্ধ, 
রক্তনেশায় রক্তের হোলি হয়না ধরায় বন্ধ। 


ক্ষোভে দিবালোকে মিটাতে পারিনা আমার  রক্ততৃষা। 

তাই চাই এই বিশ্বভূবনে ছেয়ে থাক্ চিরনিশা। 

চেতনার জ্যোতিঃ দাও গো জননী সৃষ্টি সারাৎসার -- 
দিবসের আলো, রাতের আঁধার হয়ে যাক্ একাকার। 

 

শ্রী দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯/১০/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।















রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২২

লক্ষ্মী এসো ঘরে

শিশির সিক্ত শ্যাম তৃণদলে, 
আলতা রাঙানো শ্রীচরণ ফেলে, 
সোনার কলসে সোনার শস্য ; 
                        এসো মা লক্ষ্মী ঘরে। 
শালুকে পদ্মে ভরে সাজিখানি, 
করবো বরণ তোমায় জননী, 
শিউলি শেফালী যূথী মল্লিকা 
                        দিব অঞ্জলী ভরে। 
যত ক্ষত ক্ষতি দুখ যন্ত্রনা --- 
তার মাঝে দেবী তুমি সান্ত্বনা, 
শ্রীমুখের হাসি দেখি অনিমিখে 
                         আর ভাবি মনে মনে --- 
এত যে অপার দিয়েছ বিত্ত, 
করুণা তোমার নিয়ত নিত্য 
ঝরে ঝর ঝর ধরিত্রী আঁচলে --- 
                (তবু) তৃপ্তি মেটেনা প্রাণে। 
 লক্ষ্মীকে চাই দাত্রীর রূপে, 
 একান্ত কামনা অর্থ বিভবে, 
  পরমার্থের পরমা শান্তি 
                      চাইনি, পাইনি জীবনে। 
এসো মা লক্ষ্মী, শান্তিরূপিণী, 
লক্ষ্মীশ্রীতে সাজুক ধরণী --- 
 লালসাদগ্ধ আঁধার জগৎ 
                    জুড়াক জ্যোৎস্না প্লাবনে।। 


দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা
০৯/১০/২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর।
 

















 

বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০২২

না পোহায়ো

নিশি জাগরণশ্রান্ত দুচোখে মেনকা রয়েছে চেয়ে 
কোলে মাথা রেখে ধরার দুলালী ঘুমায়ে রয়েছে মেয়ে। 
'সুন্দর' নিজে এরূপ গড়েছে, জ্যোৎস্না দিয়েছে লাবনী, 
হৃদয়ের প্রেম-মৃত্তিকা মেখে প্রতিমা গড়েছে অবনী। 
মুখশশী দেখে মেটে নাকো আশা ননীর পুতুল দেহ, 
শাশ্বত মায়ের বুক ভাঙা রূপ, মূর্তি ধরেছে স্নেহ। 
হে রজনী, তুমি পোহায়ো না আজ, চাঁদ তারা থাক 
গগনে ।
আলোময়ী ঊষা, তুমিও ঘুমাও মধু বিভাবরী লগনে। 
আসুক বাতাস, কুসুম সুবাস, ডাকুক না পাখী কাননে, 
নিদ্রা, তুমি অচল শান্ত থাক প্রশান্ত নয়নে। 

জগজ্জননী, দনুজদলনী, চিন্ময়ী দেবী ভবানী, 
বাংলা মায়ের মায়া অঞ্চলে কন্যা নয়নমণি। 
মাতৃস্নেহের অমর্ত্য প্রতিমা দেখি আর মনে ভাবি --- 
 সপ্ত স্বর্গে আছে কি কোথাও এমন মর্ত্য ছবি ? 

মঙ্গলময়ী কল্যানী মাগো, যদি যাও এসো ফিরে
 বক্ষ শোণিতে রাঙাবো চরণ, পূজিব অশ্রু নীরে।। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
নবমীর রাত্রি শেষে
১৮ই আশ্বিন ১৪২৯ 
০৫ ই অক্টোবর ২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 









মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২

নবমী সন্ধ্যা

জাহ্নবীর দুই তীরে    আসন্ন সায়াহ্ন ধীরে
           সন্ধ্যা তারা ফুটেও না ফুটে। 
বাঙলা মায়ের প্রাণ   বিষাদিত মৃয়মান--- 
        ছিন্নকলি বৃন্ত পড়ে লুটে'। 
গঙ্গোত্রীর কন্ঠস্বরে  গৃহাঙ্গন ছিল ভরে', 
          হাসিমুখে 🌙 চাঁদ ছিল ঘরে, 
উমাময়ী সে আলোকে  যাকিছু দেখেছি চোখে 
          ডুবে যাবে রাত্রি অন্ধকারে। 
সুদীর্ঘ বিরহ দিনে  কত কথা ছিল মনে 
         মূক হয়ে রয়ে গেল বুকে। 
ত্রিপুরারি ভিক্ষাসার   চলে কি সংসার তার 
        কি খায় কি পরে তারা সেথা ? 
কেতো লক্ষ্মী সরস্বতী,  গুণঋদ্ধ গণপতি 
        না জানি কি মনে পায় ব্যথা। 
মনে ভাবি রাখি ধরে   পাঠাবো না শিবপুরে, 
          কিন্তু হায়, চিন্তার নাই শেষ। 
ভূত প্রেত সঙ্গী করে,  শ্মশানে-মশানে ঘুরে 
          ঘরে এসে কি খাবে মহেশ ? 
অন্নপূর্ণা মা আমার  অন্নাভাব নাই তার
           তাই বাঁচে শিব পরিবার,
শঙ্করীকে রাখে কাছে   ভিক্ষা পাত্রে অন্ন যাচে 
            অন্ন পায় নিখিল সংসার।।
 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
নবমী সন্ধ্যা
১৭ই আশ্বিন ১৪২৯ 
৪ ঠা অক্টোবর, ২০২২ 
ব্যাঙ্গালোর। 





নবমী প্রভাত

নবমী প্রভাত 

পোহালো যামিনী, আসে ঊষা ওই  
না এলেই হোত ভালো। 
বৈতালিকের উদাস রাগিণী 
করুণ অরুণ আলো। 
কুলায় পাখিরা সঙ্গীত হারা, 
বাতাসে বিমনা ছন্দ --- 
মেনকা মায়ের পাড়া পড়শিরা 
সকলেই নিরানন্দ। 
জয়া ও বিজয়া ভোর বেলা এসে 
তুলেছে পারুকে জাগায়ে। 
আসন্ন বিরহে বিকল হৃদয়ে 
ধরেছে সখীরে জড়ায়ে। 
"আরেকটি দিন থাকবি না সই ? 
কত কথা আছে মরমে, 
দুটো দিনই তুই মা'র কাছে ছিলি 
কইতে পারিনি শরমে।" 
নবমী প্রভাত যেন অপঘাত 
বাঙলার ঘরে ঘরে, 
মুখে হাসি, বুকে অপার বেদনা 
নয়নে অশ্রু ঝরে। 
চিন্ময়ী জগজ্জননী হেথায় 
প্রাণময়ী স্নেহ-প্রতিমা, 
আনন্দরূপিণী, সুখপ্রদায়িনী 
 শোক-দুখহরা মা'উমা। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
মহানবমী, ১৭ই আশ্বিন ১৪২৯ 
(০৪/১০/২০২২) 
ব্যাঙ্গালোর।







Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...