ভয়ঙ্করী রূপে এলি মা ভয় দেখানোর ছলে ।
কালো বলে' কে গাল দিয়েছে কালী কালী বলে' ?
আষাঢ় মাসে আসে যখন কালো মেঘের রাশি,
তখন কেন ফোটে লোকের বিরস মুখে হাসি ?
কুসুম কানন হাসে দেখে কালো ভ্রমর দলে।
ভয়ঙ্করী রূপে এলি কী ভয় দেখানোর ছলে ?
পা পড়েছে বরের বুকে জিভ কেটেছিল তাই ?
দিগম্বরী হয়ে আছিস সে কি মনে নাই ?
গয়নাগাঠি দেয়নি ভোলা মুণ্ডমালা গলে ?
ভয়ঙ্করী রূপে এলি কী ভয় দেখানোর ছলে ?
দুষ্ট মেয়ে বাবার ঘরে মেলেনি তোর ঠাঁই,
দিগম্বর তোর স্বামীর আবার চাল-চুলো-ঘর নাই।
তাই নিখিল ভুবন আঙিনাতে নাচিস রুদ্র তালে।
ভয়ঙ্করী রূপে এলি মা ভয় দেখানোর ছলে।
আমার বুকে আয় গো শ্যামা আদরিণী মেয়ে,
ক্ষণিক দাঁড়া, মানিনী মা, দেখি ও মুখ চেয়ে,
কালো বরণ ধুইয়ে দেব ব্যথার অশ্রুজলে।
ভয়ঙ্করী রূপে কেন মা ভয় দেখানোর ছলে ?
কালো রূপের আড়ালে তোর আলোর পারাবার।
আমার চোখের কালো সবই মায়ার অন্ধকার।
যাক্ পুড়ে মা মায়ার সে ঘোর আলোর চিতায় জ্বলে'।
ভয়ঙ্করী রূপ দেখাসনে আর ভয় দেখানোর ছলে।।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২২/১০/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।
দুলালবাবু আপনার পাঠানো দুটি কাব্য আমার খুব ভালো লেগেছে ৷ আপনি আরো লিখুন ৷ ধন্যবাদ
উত্তরমুছুনKi sundor kore lekha .....notun bhabe Maa ke dekhlam tomar chokh diye
উত্তরমুছুন