প্রতি প্রাতে নব নব জন্মদিন, নব জন্মান্তর।
বিচিত্র রূপের বিশ্ব দেখি আর ভাবি
কে নূতন, আমি না আমার এই দেখার ভুবন ?
উদ্বেল আবেগ নিয়ে জড়ায়ে ধরেছি যাকে
বিগত সন্ধ্যায়, উপেক্ষার ধূলা দিয়ে চোখে
নিয়েছে বিদায় তারাঝরা রাতের কোন তন্দ্রালু প্রহরে।
বিস্মৃতির অন্ধকারে ডুবে গেছে এমনি অসংখ্য প্রেম,
ভালোবাসা, মায়া-মোহ, সংরক্ত কামনা।
আবার বিচিত্র আশা মায়াঞ্জন বুলায়েছে চোখে।
দেখেছি আলোর দূত হাসে আঁধারের ফাঁকে ;
ফাটা মেঘে উঁকি দেওয়া চাঁদের মতন।
নূতন ভঙ্গীতে দেখি চিরপুরাতন।
সুখের দৃষ্টি দিয়ে দেখা এ জগৎ আলোময়,
কালোময় দুঃখের অশ্রুজলে ডুবে যাওয়া চোখে।
উন্মত্ত হিংসায় জ্বলা যে আঁখি রক্তিম
তার দেখা ধরিত্রীর পথে পথে রক্তের রেখা।
যে গোধূলি নিয়ে এলো প্রাণের প্রণয়
সেই আলোই আলেয়ার, সন্ধ্যাকালে শ্মশান চিতার।
আমারই চোখের দৃষ্টি তুলি হয়ে আঁকে যেই ছবি
আমার মনের ক্যানভাসে, তেমনই এ জগৎসংসার,
যার ভালো মন্দ, সাদা কালো শুধুমাত্র দেখার বিভ্রম।
রূপ তার চিরশুদ্ধ, জ্যোতির্ময়, নিত্য নিরুপম।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২নভেম্বর, ২০২২
বেঙ্গালুরু।
ভালো লাগলো
উত্তরমুছুন