জাহ্নবীর দুই তীরে আসন্ন সায়াহ্ন ধীরে
সন্ধ্যা তারা ফুটেও না ফুটে।
বাঙলা মায়ের প্রাণ বিষাদিত মৃয়মান---
ছিন্নকলি বৃন্ত পড়ে লুটে'।
গঙ্গোত্রীর কন্ঠস্বরে গৃহাঙ্গন ছিল ভরে',
হাসিমুখে 🌙 চাঁদ ছিল ঘরে,
উমাময়ী সে আলোকে যাকিছু দেখেছি চোখে
ডুবে যাবে রাত্রি অন্ধকারে।
সুদীর্ঘ বিরহ দিনে কত কথা ছিল মনে
মূক হয়ে রয়ে গেল বুকে।
ত্রিপুরারি ভিক্ষাসার চলে কি সংসার তার
কি খায় কি পরে তারা সেথা ?
কেতো লক্ষ্মী সরস্বতী, গুণঋদ্ধ গণপতি
না জানি কি মনে পায় ব্যথা।
মনে ভাবি রাখি ধরে পাঠাবো না শিবপুরে,
কিন্তু হায়, চিন্তার নাই শেষ।
ভূত প্রেত সঙ্গী করে, শ্মশানে-মশানে ঘুরে
ঘরে এসে কি খাবে মহেশ ?
অন্নপূর্ণা মা আমার অন্নাভাব নাই তার
তাই বাঁচে শিব পরিবার,
শঙ্করীকে রাখে কাছে ভিক্ষা পাত্রে অন্ন যাচে
অন্ন পায় নিখিল সংসার।।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
নবমী সন্ধ্যা
১৭ই আশ্বিন ১৪২৯
৪ ঠা অক্টোবর, ২০২২
ব্যাঙ্গালোর।
Satti I to tai ...nikhil sagsarer dayitto to maa er kache i
উত্তরমুছুনঅসামান্য কল্পনা
উত্তরমুছুন