বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

শ্রীমদ্ভগবত গীতায় অর্জুন -- পর্ব ১২

শ্রীমদ্ভগবত, অর্জুন --পর্ব ১২ 

                     ভক্তিযোগ

একাদশ অধ্যায় আমাদের সেখানেই শেষ হোল যেখানে শ্রীকৃষ্ণ ভগবান প্রাপ্তির সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনপন্থার দিশা নির্দিষ্ট করে দিলেন। অনন্যা ভক্তি এবং সর্বভূতে পরমাত্মা দর্শন। এখানে দ্বাদশ অধ্যায়ের আরম্ভের শ্লোকটি (প্রশ্নটি) অর্জুনের, 

"এবং সততযুক্তা যে ভক্তাঃ তাম পর্যুপাসতে।
যে চাপ্যক্ষরম অব্যক্তম্ তেষাং কে যোগবিত্তমাঃ।।" 

এবার ঈশ্বররূপে, ভগবৎসত্ত্বার মানববিগ্রহরূপে শ্রীকৃষ্ণকে কায়মনোবাক্যে স্বীকার করে নিয়ে তাঁর উপাসনার পন্থা‌ জানতে চাইছেন অর্জুন। হে মনোমোহন, এই যে সগুণরূপে আপনি দেখা দিয়েছেন, সেই মূর্তি ধ্যান করে যে ভক্ত আপনার উপাসনা করেন, আর অব্যক্ত নিরাকার 'ব্রহ্মরূপে' যে ভক্ত আপনার উপাসনা করেন --এনাদের মধ্যে কোন্ জন উত্তম 'যোগবিত্তমাঃ' ?
_______________________________________________

বিশেষ শব্দার্থ
এই 'যোগবিত্তমাঃ' বা যোগবেত্তা শব্দটি অতি তাৎপর্য্যবাহী। ঈশ্বর বা পরমাত্মার সঙ্গে ভক্তের অন্তরাত্মা যখন যুক্ত হয় তখন ভক্ত আর 'ভক্তের আরাধ্য'  একাকার। করুণাময়ের চিদানন্দঘন রূপ ভক্তের অন্তরে দিব্যমূর্তি ধারণ করে বিরাজ করে। ভক্ত তখন দেখেন চরাচর বিশ্ব জুড়ে তাঁরই লীলাবিলাস, তাঁরই উপস্থিতি। ভক্ত তখন বলতে পারেন, 

"জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে
বন্ধু হে আমার রয়েছ দাঁড়ায়ে।
এ মোর হৃদয়ের বিজন আকাশে
তোমার মহাসন আলোতে ঢাকা সে।
গভীর  কি আশায় নিবিড় পুলকে
তাহার পানে চাই দু'বাহু বাড়ায়ে।।"
                                 ---------- রবীন্দ্রনাথ।
ভক্ত বলতে পারেন, "তুমি তো বলেছ, যে মানুষ আমায় সব জায়াগায় দেখে, আমার মধ্যে সমস্তকে দেখে, সেও আমাকে ত্যাগ করে না, আমিও তাকে ত্যাগ করি নে।এই সাধনায় আমার যেন একটুও শৈথিল্য না হয়।"
--- রবীন্দ্রনাথ ('যোগাযোগ' উপন্যাসে কুমুদিনী)।
________________________________________ 


সগুণ বা সাকার, নির্গুণ বা নিরাকার উভয় রূপেই তাঁর আরাধনা করা যায়। তবে, শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, আমাতেই নিরন্তর ধ্যানমগ্ন হয়ে পরম শ্রদ্ধায় আমাকে সগুণরূপে যিনি ভজনা করেন তিনিই শ্রেষ্ঠ। সগুণরূপের বা সাকার ভগবানের কথা এই জন্যই শ্রীকৃষ্ণ বলছেন যে ব্যক্ত ভূতজগতও তো তাঁরই প্রকাশ। দশম অধ্যায়ের ৮ম  মন্ত্রে তিনি স্বয়ং সেকথা বলেওছেন, 

"অহং সর্ব স্যাৎ প্রভবো মত্তঃ সর্বং প্রবর্ততে।
ইতি মত্বা ভজন্তে মাং বুধা ভাব সমন্বিতা।।"

আবার জ্ঞানমার্গে (জ্ঞানযোগ) মন-বুদ্ধির অগোচর, নিত্য-ধ্রুব-অচল-অবিনাসী অব্যক্ত অক্ষরব্রহ্মরূপে  সর্বভূতের হিতার্থে , সর্বভূতে সমভাবাপন্ন হয়ে যে 'যোগী' ভগবৎ উপাসনা করেন, তিনিও আমাকে লাভ করেন। তবে, সেই নিরাকার পরমেশ্বররূপের সাধনা অত্যন্ত ক্লেশকর। কেননা, দেখ সখা, দেহধারী ব্যক্তি দেহাভিমানী হবেই। তাই নিজে দেহরূপে থেকে দেহশূন্য 'সত্ত্বায়' লীন হওয়া (দেহবদ্ভিঃ অব্যক্তা গতিঃ) দুশ্চর তপস্যার ব্রত। এ যোগসাধনা দুরূহ এবং সুকঠিন। অতএব সগুণরূপে ঈশ্বর উপাসনা ভক্তদের প্রিয় এবং তেমন ভক্ত আমারো প্রিয়। মৎপরায়ণ উপাসক সকল কর্ম আমাকে অর্পণ করে, অনন্যচিত্ত হয়ে, আমার সঙ্গে যুক্ত হয়ে (সর্বদা ঈশ্বরের গুণকীর্তন করতে করতে) পুরুষোত্তম পরমাত্মার দর্শন লাভ করেন।
আসলে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তো অর্জুনের সঙ্গেই আছেন। মানুষ অর্জুন মানবরূপী সর্বব্যপ্ত ঈশ্বরকে সর্বদা প্রত্যক্ষ করছেন। ঠিক তেমনি সাধক যিনি, ভক্ত যিনি তিনি যখন সকল মানবের মধ্যে, আরো পরিব্যপ্তরূপে সমস্ত জীব-অজীব ভূতজগতের মধ্যেই, এমনকি নিজের মধ্যেও ঈশ্বরসত্ত্বার অনুভব লাভ করবেন তখন 'সগুণ ভগবানই' সেই সাধকের বা ভক্তের আরাধ্য --- 'সাধনধন'। তখন তাঁর মোহ কিংবা শোক কিছুই থাকবে না। তখন তিনি এই সৃষ্টির ভিতর স্রষ্টাকে এবং আপন পরমসত্ত্বার ভিতরে সৃষ্টিকে লাভ করেছেন। তখন সেই সাধক উপলব্ধি করবেন তিনিও (তাঁর সঙ্গে বিশ্বচরাচর) অজ ও অমর --- চিদানন্দময় ব্রহ্ম। গীতাবাণীর দ্বিতীয় অধ্যায় থেকেই এই ভক্তিসংমিশ্রিত সাধন-যোগের কথাই 'নরলীল' বাসুদেব অর্জুনকে বলছেন। এই কথাগুলি ঈশা   উপনিষদের সপ্তম মন্ত্রটির প্রতিধ্বনি, --- 

"যস্মিন্ সর্ব আনি ভূতানি আত্মৈবাভূদ্ বিজানতঃ। ।
ত্র কো মোহঃ কঃ শোক একত্বম্ অনুপশ্যতঃ।।" 

(শ্রীমদ্ভগবত গীতার এই স্থানে, একাদশ অধ্যায় থেকেই, নিরাকার বা সাকার, নির্গুণ বা সগুণ ব্রহ্মোপাসনার ভেদরেখা এতই সূক্ষ্ম যে ব্রহ্মবিদ ঋষিগণ ও সাধকবৃন্দের হৃদয়েই তা প্রতিভাসিত হয়।)
শ্রীকৃষ্ণ বলে চলেছেন, আমাতে সগুণভাবে, ভক্তির দ্বারা একাত্মতা অনুভব করে যে ভক্ত নিত্য ধ্যান করে, ভজনা করে (উপাসতে) তাকে আমি হে অর্জুন, মৃত্যুরূপ সংসার সাগর থেকে উদ্ধার করি। মন, বুদ্ধি ,আমাতে নিবিষ্ট করলে আমাকেই প্রাপ্ত হবে, আমাতেই নিবাস করবে (নিবসিষ্যসি)। এইরূপ অনন্য, নিশ্চল একাগ্রতা অভ্যাস যোগের মাধ্যমে লাভ করা যায়। "আমার যা কিছু কর্ম আমি ঈশ্বরের জন্যই করছি" --- এই ভাবনায় স্থিত থেকে, অর্থাৎ 'ভগবদর্থ কর্মপরায়নতার' দ্বারা ভগবৎ প্রাপ্তির সিদ্ধি লাভ হয়। (নবম অধ্যায়ের ২৭তম শ্লোকেও এই কথাই  শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন।
যৎ করোষি যদশ্নাসি যজ্জুহোষি দদাসি যৎ।
যৎ তপস্যসি কৌন্তেয় তৎ কুরুষ্ব মদর্পণম্।।")
ভগবান বাসুদেবের উপদেশবাণীগুলির মধ্যে দ্বিরুক্তি, পুনরুক্তি আছে সত্য, কিন্তু তাঁর ভক্তের যে গুণাবলির উল্লেখ তিনি করেছেন সে সবই মানবতাবাদের পরাকাষ্ঠা। দ্বাদশ অধ্যায়ের ১৩-তম শ্লোক থেকে (১৩ থেকে ২০) ভগবান বলছেন, যে সাধক দ্বেষভাবরহিত, নিঃস্বার্থ, দয়ালু, প্রেমিক, নিরহঙ্কার, ব্যক্তিমমতাহীন, সুখ-দুঃখে সমভাবাপন্ন, ক্ষমাপ্রবন, সতত সন্তুষ্ট, জিতেন্দ্রিয়, আমাতে দৃঢ়নিশ্চয় ও আমাতেই মন-বুদ্ধি-সমর্পিত, যিনি উদ্বিগ্ন হন না, অপরের উদ্বেগের কারণও হন না, হর্ষ ও বিষাদ যাকে একইরূপে স্পর্শ করে, আকাঙ্ক্ষাহীন, অন্তরে বাহিরে শুদ্ধ, কর্মদক্ষ কিন্তু কর্তিত্বাভিমানী নন, যে  পুরুষ শত্রুমিত্রে, মান-অপমানে, শীতে উষ্ণতায় সমভাবযুক্ত এবং সংসারে আসক্তিশূন্য তিনি আমার প্রিয়। আমার প্রিয় ভক্ত আহারে, বিহারে, বাসস্থানে সর্বদা সন্তুষ্ট এবং আমাকেই আশ্রয় করে থাকেন।
এইভাবে নিজ ভক্তের গুণসমুহের বর্ণনা করার পর পরিশেষে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, 

যে তু ধর্ম্যামৃতং ইদম্ যথোক্তোং পর্যুপাসতে।
শ্রদ্দধানাঃ মৎপরমা ভক্তাঃ তেহতীব মে প্রিয়ঃ।।‌ ।।২০।। 

এই যে 'ভক্ত, ভক্তি, শ্রদ্ধা, প্রেম' প্রভৃতি শব্দগুলি শ্রীমদ্ভগবত গীতার দ্বাদশ অধ্যায়ে বিশেষভাবে উচ্চারিত হোল, তাতে আমাদের ধারণা হয়েছে ঋকবেদের সময়কাল থেকে (বেদ, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ বা বেদান্ত পরবর্তী) পৌরাণিক কাল পর্যন্ত চলে‌ আসা স্মৃতিশাস্ত্র অনুসারী যে ধর্মাচরণের ধারা আর্যসমাজের এবং ভারতের লোকায়তিক সমাজের মধ্যে চলমান ছিল তার সম্পূর্ণ না হলেও বৃহদাংশিক বিবর্তন সম্ভাবিত হয়েছিল। (নিরীশ্বরবাদী জৈনধর্ম, বৌদ্ধ ধর্মধারণার ভিতরেও 'বেদ-ব্রাহ্মণ-স্মৃতি'র সংস্কারসর্বস্ব 'তান্ত্রিকতার অনুপ্রবেশ ঘটেছিল)। প্রথমত ধর্মাচরণ সর্বজনীন হতে পেরেছিল, এবং দ্বিতীয়ত 'ভক্তির প্লাবনে'  বর্ণবিভাজনের  নিষ্ঠুর কঠোরতা যথেষ্ট প্রশমিত হয়েছিল।
"বৎস, শুধু ব্রাহ্মণের আছে অধিকার
ব্রহ্মবিদ্যালাভে।" * সেখান থেকে হাজার হাজার বছর পর নানা বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এসে 'ভক্তিবাদ' বলতে পেরেছিল, "চণ্ডালোহপি দ্বিজশ্রেষ্ঠ হরিভক্তিপরায়নঃ।"
___________________________________________ 


বিশেষ আলোচনা
*(ঋষি গৌতম সত্যকাম জাবালের প্রতি, 'ব্রাহ্মণ'---রবীন্দ্রনাথ।
সত্যকামের সত্যনিষ্ঠায় ঋষি তাকে শিষ্যত্বে বরণ করেছিলেন। ছান্দোগ্য উপনিষদে গল্পটি অতি সংক্ষিপ্ত এবং ঋষি গৌতম মনে করেছিলেন সত্যাশ্রয়ী সত্যকাম অবশ্যই ব্রাহ্মণসন্তান। গল্পটি অত্যন্ত দ্বান্দ্বিক, কেননা আচার্য গৌতম সত্যকামকে চারশো ক্ষীণ ও দুর্বল গরু পৃথক করে তাদের চারণের নিমিত্ত বনে  পাঠিয়েছিলেন। "কৃশানামবলানাং চতুঃশতা গা নিরাকৃত্য উবাচ সৌম্যানুসংব্রজেতি।।" সত্যকামও বলেছিল এই গোধন সহস্র হলেই সে ফিরবে। গল্পটির বহুবিধ ব্যাখ্যা হয়েছে ঠিকই কিন্তু নির্মম ব্রাহ্মণ্যবাদী "হিন্দুদের" এই ধারণা এখনো আছে যে "শুধু ব্রাহ্মণের আছে অধিকার ব্রহ্মবিদ্যালাভে।" এর প্রমাণ 'ব্রাহ্মণ' কবিতাটিতেও বিদ্যমান। ঋষি গৌতমের জাবাল সত্যকামের সত্যনিষ্ঠার প্রতি অনুরাগ সত্বেও তার ব্রাহ্মণ গোত্রীয় শিষ্যগণের গোত্রহীন সত্যকামের প্রতি ঘৃণা উলঙ্গভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
" দীক্ষাকামী সত্যকাম গোত্ররহিত, তার স্বমুখে এই 'নির্লজ্জ অনার্যসুলভ' ঘোষণা শুনে ঋষির শিষ্যবর্গের প্রতিক্রিয়া একটি মধুচক্রনির্ভর কল্পচিত্রে প্রকাশিত : 

                " .... শুনি সে বারতা
ছাত্রগণ মৃদুস্বরে আরম্ভিল কথা,
মধুচক্রে লোষ্ট্রপাতে বিক্ষিপ্ত চঞ্চল
পতঙ্গের মতো ; সবে বিস্ময়বিকল।
কেহ বা হাসিল, কেহ করিল ধিক্কার
লজ্জাহীন অনার্যের হেরি অহংকার।" 

মধুপগুঞ্জনের তুলনা দেওয়া হয়েছিল শান্ত সামগীতির সঙ্গে। সে গম্ভীর মধুর গীতিধ্বনি আর থাকল না। স্নিগ্ধ সুকুমার শিষ্যদের মূর্তি এক লহমায় মারমুখী হয়ে উঠল। তাদের ধিক্কার উপহাসের হুলের জ্বালায় সত্যকাম বিদ্ধ এবং দগ্ধ হতে থাকে। এমন যে হোল, তার কারণ রবীন্দ্রনাথ শিষ্যদের বিচারকের আসনে বসিয়ে দিলেন। শিষ্যরা যেন আগামী দিনের ব্রাহ্মণ, সেই সব সংস্কৃতি-নেতা, যাদের ধৃষ্ট প্রশাসন সংসারে সমাজে শান্ত শৃঙ্খলাবিন্যাস ও সুষমা ফিরিয়ে আনবে। রবীন্দ্রনাথ সেই শিষ্যদের একজন। এবং তিনি ব্রাত্য, সত্যকাম রবীন্দ্রনাথও।"
----(বীতশোক ভট্টাচার্য, 'পুরাণ প্রতিমায় রবীন্দ্রনাথ')

ছান্দোগ্য উপনিষদ 'শ্রুতি'র কাল লুপ্ত হয়েছে কবে, হাজার হাজার বছর পেরিয়েও এসেছে মানুষের সভ্যতা, তবু আজও দলিত, ব্রাত্য, দরিদ্র, অপাংক্তেয় 'গোত্রহীন'জনের বুকে অবমাননার রক্তপ্রস্রবন লাভাস্রোতের মত নিরন্তর উদ্গীর্ণ হয়ে‌ চলছে বর্ণান্ধ সমাজের অমানবিক উপেক্ষায়, নাসিকাকুঞ্চিত তাচ্ছিল্যে, নিষ্ঠুর ধিক্কারে --- এমনকি নারকীয় হনন-উল্লাসেও ! সত্যকাম জাবালের লাঞ্ছনা, রাম কর্তৃক শূদ্র শম্বুকের শিরশ্ছেদ, জতুগৃহে নিষাদ-সন্তানদের জীবন্ত দহন, রাজধানী পত্তনের আছিলায় বনবাসীসহ খাণ্ডববনদাহন --- পুরাণ ইতিবৃত্তের এ-সকল হিংস্র পৈশাচিক ঘটনার উদাহরণ বর্তমান ভারতবর্ষেও কি  অপ্রতুল ? 


রিচার্ড ফিক (R. Fick) একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধসাহিত্য বিশেষজ্ঞ। তাঁর মতে,
"we do not hesitate to make use of the conditions of modern India which, on account of the stability of most Oriental cultures, have preserved so much of the past for comparison with, and for the explanation of, the entire periods. .
প্রাচ্য সংস্কৃতির স্থবিরতার দরুন ভারতের আধুনিক পরিস্থিতিতেও প্রাচীন অবস্থার অনেক কিছুই টিকে থেকেছে ; তাই প্রাচীন অবস্থার সঙ্গে তুলনা করবার জন্যে  ও প্রাচীন অবস্থাকে ব্যাখ্যা করবার জন্যে ভারতবর্ষের আধুনিক অবস্থার কথা ব্যবহার করতেও আমাদের দ্বিধা হয না।
          ('লোকায়ত দর্শন'--- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।) 

পরবর্তী ত্রোয়োদশ পর্ব (পর্ব ১৩), শ্রীমদ্ভগবত গীতায় অর্জুন, ত্রয়োদশ অধ্যায়। 

                     (ক্ৰমশঃ) 
____________________________________________










1 টি মন্তব্য:

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...