বৈশাখের সূর্য যেন কোপানল মুনি দুর্বাসার।
তাপদগ্ধ পৃথিবীর কাতর প্রার্থনা
ফিরে ফিরে আসে উপেক্ষায়।
ধূলিসমাকীর্ণ ভূমি, ধূসর আকাশ,
পিপাসায় মুহ্যমান বন উপবন।
দিন দিনান্তে মেশে, নিষ্ঠুর গৌ-ধূলি যেন
স্ফুলিঙ্গ চিতার।
রক্তনেত্র সবিতৃ তাপস অস্তাচলে --
সতীহারা রুদ্র মহাকাল।
ত্রস্ত ভীত চরাচরে ওঠে হাহাকার,
"জল দাও, একবিন্দু জল"
নিরুত্তর জগৎ সংসার।
অতিক্ষুদ্র চাতকিনী-- যেন সে ভিক্ষুণী
অনাদপিন্ডদসূতা
উড়ে গেল আকাশের ভেঙে ধূসরিমা,
ভেঙ্গে দিয়ে আপনার অসাধ্যের সীমা।
ফিরে তো আসেনি সে স্বরূপে ;
তবে কি অরূপে ওই অপরূপ খণ্ডমেঘ
তারই রূপান্তর ?
নবজীবনের আশা, আসন্ন বর্ষার দৈববাণী ?
হে চাতক, মৃত্যুঞ্জয়ী তপস্যার বিমূর্ত সে রূপ--
মহাপ্রাণ !
অমর্ত্যের আশীর্বাদ জয় করে এনেছে সে
আপনারে দিয়ে বলিদান ?
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২২/০৫/২০২৩।
কলকাতা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন