গতকাল এক 'করোনা' বিশেষঞ্জ বলেছেন , এই বিশ্বমারী যেন বিশ্বযুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সৃষ্টি করেছে, নাকি সৃষ্টি করা হয়েছে! এখনো পর্যন্ত ষাট লক্ষ (?) প্রাণ মহাপ্রস্থানের পথে। স্মরণে আসে ১৯৩৯–১৯৪৫ । রবীন্দ্রনাথের শেষ সতর্ক বাণী। তারপরই আউৎউয়ীজ, হিরোশিমা, নাগাসাকি !
সভ্যতার অকাল সৎকার
___________________________
ঝরবে এখনি চাঁদেরও কিরণ ,
শত দীপ জ্বেলে সমস্ত ভূবন দেখে মুখ বসুধার ।
মরু প্রান্তর ভূধর কানন –
প্রকৃতি-লীলার নিত্য নাচন,
মলয়ানিলে পুষ্পসুবাস, স্বপ্নের অভিসার।
বরষার খেলা, চিরচঞ্চলা ,
তনয়া ধরণী শ্যামলাঞ্চলা,
আনন্দ মেলায়, প্রাণের খেলায় ভরে আছে কোল তার।
আঁধার নেমেছে আমাদের মনে,
পৃথিবীর দেহে তাই প্রতিক্ষণে,
করেছি আঘাত, নামিয়ে এনেছি ভীতির অন্ধকার!
বিষাক্ত বাষ্পে ভরেছি বাতাস,
হিংসার ধূমে ঢেকেছি আকাশ,
খেয়েছি পাহাড়, নদ,নদী মাঠ সোনার শস্যভূমি।
গণচিতা রচি' করে' আয়োজন,
শবসাধনার তন্ত্র সাধন ,
কাপালিক বলে , "হে নবকুমার, আজ তোর অন্তিম।
জীবন্ত দ্গ্ধ কোটি নর নারী,
লোকে লোকে ভূলোক কেন হবে ভারী?
চলে' যা দ্যুলোকে 'অং বং চং ,জয় শমনম্ দৃম্' ।"
কপালকুণ্ডলা , কোথা তুমি আজ?
এসো খুলে দিয়ে শরমের সাজ,
বাঁচাও জীবন, অকাল মরণ ছিন্নমস্তা রূপে
তাণ্ডব নাচ নাচে পৃথিবীতে,
স্নান করে' নিজ রক্তের স্রোতে,
বিকট হাস্যে হাসে দেখ ওই দগ্ধ ভস্মস্তুপে ।।
দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
২৯/০১/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।
______________________________________________
সাংস্কৃতিক লোকেরা ভুল ভার রাষ্ট্র নেতাদের তোষামোদ যদি করে তবে পৃথিবীর এই অবস্থা হবে।
উত্তরমুছুনUff eto bastob , kintu grohon kora jay na je
উত্তরমুছুন