On the undiscovered depths imposed a form,
Lent a vibrant cry to the unuttered vasts ,
And through great shoreless, voiceless, starless breaths–
Bore earthward fragments of revealing thought
Hewn from the silence of the Ineffable. "
'Savitri'. – Aurobindo.
আজ সকালবেলায় একটি গদ্যছন্দে কবিতা লিখে ফেসবুকে পোষ্ট করে দিলাম। দু'এক জনের সাথে হোয়াস্-অ্যাপেও share করেছি। বিকেল বেলা ওই লেখাটিই, পরিমার্জিত রূপে আমার blog-য়ে দেবার ইচ্ছে হোল – আমার blog-য়ের পাঠকবৃন্দও পড়ুন ।
মহামারী, হিংসা-জিঘাংসা-সম্ভূত আত্মহনন, সভ্যতার নামে কসাইদের অস্ত্রের আস্ফালন ("নিতি নব ছোরা গড়িয়া কসাই বলে জ্ঞান বিজ্ঞান "–নজরুল) – তবুও নিত্যনৈমিত্তিক কর্মপ্রবাহ, কর্মপ্রয়াসের মধ্য দিয়ে জীবনের অবিনশ্বরতা । এর মূলে রয়েছে জীবনদায়িনী নারীর ভালোবাসা – প্রেম ।
"Eternal Famine holds us above"– Goethe.
প্রেমালোকিত প্রভাতী শুভেচ্ছা
___________________________
সকালে উঠেছে সূর্য কুয়াশায় ম্লান।
বৈতালিক ঝগড়া সেরে চড়াইয়ের ঝাঁক,
উড়ে গেল যে যেখানে – রুজির সন্ধান ।
চপলচরণা যত চঞ্চলা চপলা, বিমলা
ও-বাড়ি, এ-বাড়ি দৌড় – মুঠিযন্ত্র কানে।
আধখানা রুটি মুখে উড়ে যায় কোথা
আমারই সে প্রতিবেশী খোঁড়া বুড়ো কাক –
ধাওয়া করে বেচারাকে গোটাদশ অ-মিত্র স্বজাতি।
টিভি খুলি – ওদেশে সেদেশে
বিনা মেঘে কত বজ্রপাত – মরণের দূত নামে
সঙ্গে নিয়ে চিতাগ্নির লেলিহান শিখা ;
পুড়ে যায় সভ্যতার ব্যর্থ অহংকার।
নবজাতকের শ্বাসে মড়াপোড়া গন্ধ আসে ভেসে !
আর এখানে, এ-দেশে – "সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি ",
অঞ্চল তার রক্তে ছোপানো ঢাকা-দেওয়া দুটো লাশে ।
এমন সময়ে দেখি, ফোনের আয়নাতে
ভেসে ওঠে ফোটা ফুল, আবেগ শিশিরে ভেজা,
নীচে লেখা , 'বন্ধু, আছ তো ভালো' – প্রভাতী সম্ভাষণ।
এখন সকাল হোল সত্যিই – এতোটা বেলাতে।
মনে হোল থাকি বেঁচে আরো দুটো দিন, দেখি –
মরণের পরপারে, মনে হয়, আছে বাকি,
অ-মরার প্রেরণা কিছুবা ; এই ধর, তোমার পাঠানো,
প্রেমের আতর-মাখা ফুলের ছবিতে ।।
দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭/০৩/ ২০২২
কোলকাতা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন