এক ওথেলোর স্বগতোক্তি
স্তব্ধ হও, হত শব সইতে পারে না কোলাহল,
আহত দুর্বল দেহ বইতে পারে না বিদ্রোহ-নিশান।
থাকুক সম্মুখে পড়ে নিহত শিকার, নিঃসাড় নীরব,
বিক্ষত লাঞ্ছনা নিয়ে নিষ্পলক শুষ্ক-অশ্রু চোখে।
আমি আততায়ী, আমি থাকি বসে নির্বিরোধী একা,
দেখি চেয়ে চেয়ে আমার সক্ষম হাত লালা-রক্তে মাখা,
মা'য়ের জঠরে গড়া স্রষ্টার ব্যর্থতম সৃষ্টির ফসল।
কোথা রাখি ? বুক যে হয়েছে শূন্য কামনার অকাল মরণে,
কোথা ধুই ? গঙ্গার পদ্মার যমুনার সাগর সঙ্গমের
তরঙ্গে তরঙ্গে আছে মিশে শতাব্দীর শোনিতের রঙ !
কোথা যাই ? আমার পায়ের শব্দে শ্মশান শ্বাপদ
হাসে হাসি বিদ্রুপের, জ্বলে ওঠে চিতার আগুন,
ফাটে মাটি কবরখানার, শোকের অকাল রাত্রি নামে লোকালয়ে।
কোন্ দিকে চাই? চোখের নৃশংস দৃষ্টি দিগন্ত পোড়ায়।
আমি খুনি, ভালবাসি নিথর নিষ্প্রাণ মূর্তি বীভৎস সুন্দর ;
স্বর্গের সেবার ভার ঘৃণা করি, আমি ক্রীতদাস
নরকরাজার।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২১-০৮-২০২৪
ব্যাঙ্গালোরু।
______________________________________________
কোনো কথা হবে স্যার
উত্তরমুছুনআপনার কবিতাটি ~ অতি সুন্দর ও রোমান্চকর
উত্তরমুছুনঅসাধারন
উত্তরমুছুন