পথ ঘাট মাঠ টইটুম্বুর, নদ নদী কূল হারা।
মনে পড়ে আজ অতীতের কথা খড়ের ছাউনি ঘরে,
দুগ্গাদিদি ঝাঁট দেয় জল অশ্রু আড়াল করে'।
'লেবুর পাতায় করমচা এই বৃষ্টি থেমে যা।'
দুখের সে গান বুকে আছে কতো মুখে তার আসে না।
হঠাৎ আবার হাসির ঝলক কালো মেঘে ক্ষণপ্রভা,
"আয়রে অপু, ভরে গেছে দেখ্ সকল পুকুর ডোবা।
কুঁড়োজালি দিয়ে ধরবো চিংড়ি দেখবি কেমন লাফায়,
ব্যাঙেদের গলা সব ফোলা ফোলা পাড়ে বসে শুধু চেঁচায়।"
"মুখপুড়ি, তুই নিবি না অপুকে নিজে গিয়ে মর সেখানে,
সাপ বিছে কত জলে জঙ্গলে ঘুরছে এখানে ওখানে।"
জলে ভেজা চুল, ভিজা সে কাপড়, ভিজা ঘরে শুয়ে থেকে,
জ্বরে ভুগে ভুগে দিদি গেল চলে 'অপুভাই'-য়ে ঘরে রেখে।
দুগ্গাদিদিরা কোথা আজ হারা বিস্মৃত সাগর নীরে,
অপুদের ঘর আকাশে উঠেছে বেদনার বুক চিরে।
বাদল বাতাসে হু হু করে' আসে সে বিষাদ বরষার,
বারিধার আর নয়ন আসারে ঢেকে যায় চারিধার।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২৯/০৬/২০২২
শিলিগুড়ি।
(ভালো, মন্দ যেমন মনে হয় তেমনিই 'মন্তব্য' blog-য়ের
নীচে লিখুন। বই প্রকাশকালে নামসহ তার উল্লেখ থাকবে।--লেখক।)
খুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুনAmi khub kom jani ....emon mormosparshi lekhar monttobo kori ki kore?
উত্তরমুছুনখুব মন কেড়ে নেওয়া লেখা। দুগ্গা দিদিকে মনে রাখা এ স্মৃতি খুব সুখের। যদি সব ভাইয়েরা মা, বোনেদের নীরব কান্নার কথা এমন ভাবে ভাবতে পারত!
উত্তরমুছুন