কেন যে এমন হয়,
মাঝে মাঝে এ জগৎ দেখি শূণ্যময়।
কোথায় ছিলাম আমি, যাবো বা কোথায়,
কোথায় বা চিরন্তন প্রাণের কুলায়।
জন্ম আর মৃত্যুর মাঝখানে
দ্বন্দ্বময় জীবনের বিচ্ছেদ ও বেদনার অকাল প্লাবনে,
ধরেছি সুখের খড়কুটো -- অস্তিত্বের মানস আশ্রয়।
ওই বাদলের স্নেহধন্যা নদী তরঙ্গিনী,
চলমান কালের ঘরণী,
দুরন্ত তরঙ্গধারে নিয়ে যায় যতটুকু করেছি সঞ্চয়।
এই আছে, এই নাই, মুহূর্তে বিলয়
ধন-মান-প্রতিষ্ঠা-বৈভব, পুণ্যের মোহ কিম্বা প্রেমের
বাসনা,
অন্তহীন নিরর্থক চাওয়ার কামনা।
কেন এত সাধ তবে, এত স্বপ্ন, কল্পনাবিলাস ?
না পেয়ে সে মায়ামৃগ কেন দীর্ঘশ্বাস ?
সবই বুঝি, তাও বাঁচি অমর আশায়।
কিছুই রইবেনা জানি, তবু কার ব্যগ্র প্রতীক্ষায়
বসে আছি গৃহকোণে উদাসীন, শ্রাবণের সান্ধ্য অন্ধকারে ?
ঝরে জল অবিরল, মেঘ ডাকে, মনে হয় এই বুঝি এলো সে, দাঁড়ালো দুয়ারে।।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭/ ০৬/২০২২
শিলিগুড়ি।
('শ্রাবণের' হবে)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন