মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২

যাত্রা পথে

                         অন্বেষণ

জীবনের যাত্রা পথে বাঁকে বাঁকে মানব মন্দির -- 
শঙ্খ বাজে, ঘণ্টা বাজে, সমুদ্গত মন্ত্রের সঙ্গীত, 
মসজিদে আজান গান, গীর্জায় প্রার্থনা, 
 আশ্রমে, মঠে অহোরাত্র ঈশ্বর আহ্বান। 
যত কিছু মন্ত্র তন্ত্র ভজন সাধন, পূজা আয়োজন, 
সকলি যে দেবতার নামে, তাঁকে আমি দেখিনি কখনো। 
আমার দুচোখ ভরা মানব মূরতি, প্রসন্ন চিত্তের নরনারী 
নৈবেদ্য নির্মাল্য হাতে প্রনত বা অবনত বিনম্র শ্রদ্ধায়। 

মানুষের এই ভাব, এই রূপ, এই পুণ্য আত্মনিবেদন 
নাই কি কোথাও তার কোন সার্থকতা ? কোন প্রাপ্তি ?  
  নিরুত্তর দিনের দেবতা !
                                     দিনান্তের ছায়া ঢাকে 
সম্মুখের পথ,  লুপ্ত হয় পশ্চাতের ক্লান্ত পথরেখা। 
অকস্মাৎ ভগ্ন ওই মন্দির প্রাঙ্গনে কে  দিল গো ডাক -- 
"ক্ষান্ত হও হে পথিক, শ্রান্ত সব চরণের এখানে আশ্রয়।" 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
০৯/০৬/২০২২ 
শিলিগুড়ি।












৩টি মন্তব্য:

  1. Satti saab manusher jonno tobu manushe manushe vedaved ....keno ??

    উত্তরমুছুন
  2. অপূর্ব ব্যঞ্জনাময় কাব্য,,,,,,,,,, তৃপ্তির ছোঁয়া লেগে যায় মনের পরতে পরতে,,,,👍👍,,,,নবম লাইনে,,'পূণ্য',,,,,,এর স্থানে 'পূর্ণ ' ,, শব্দ টি বেশি মানায় বলে মনেহয়।,,, পরিশেষে,, ভগ্ন মন্দির থেকে অতল জলের আহ্বায়ক সম্পর্কে ঘোমটা সরালে পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলতে পারি।,,,,,,,,,,তাপস নায়েক, সোনামুখী বাজার

    উত্তরমুছুন

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...