রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

আত্মানুসন্ধান-- পর্ব ১

আত্মানুসন্ধান 


"বিন্দু মিলতে‌ চায় সিন্ধুর সঙ্গে ; খণ্ড তার সমগ্রতা খুঁজে  পায় অখণ্ডের মধ্যে ; আর মানুষ তার চরিতার্থতা লাভ করে ঈশ্বরে।"
উক্ত কথাগুলি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ত্রয়োদশ অধ্যক্ষ,‌ বহু অধ্যাত্ম ও দর্শনগ্রন্থ-প্রনেতা পুজ্যপাদ স্বামী লোকেশ্বরানন্দ মহারাজের। উক্ত সিদ্ধান্তটি তিনি বেদ, ব্রাহ্মণ, বেদান্ত, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা এবং শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দ ও বিশ্বের সারস্বত সমাজের অনেকানেক জ্ঞানতাপসদের সত্যদর্শন উদ্ধার করে প্রতিপন্ন করেছেন। (এ-সমস্ত ব্রহ্মজীজ্ঞাসু সাধক, মহাকাব্য, মহাগ্রন্থ প্রনেতা, কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকদের সৃষ্টির সঙ্গে আমার পরিচয় আরম্ভ হয়েছে অনেক পরে ;  আমার পিতা মাতার মৃত্যুর পর)। আমরা উক্ত বিষয়টির, স্বামী রঙ্গনাথানন্দ মহারাজের সিদ্ধান্তটির উপর গভীর দার্শনিক আলোচনা বা ব্যাখ্যার সাহায্য নেবার চেষ্টা করব ততটুকুই যতটুকু আমাদের অতি সাধারণ বুদ্ধিতে ধরে। 

আমার জন্মভূমি বর্তমান পশ্চিম বাঙলার পশ্চিম প্রান্তসীমার শেষে অজয় নদের উত্তর পাড়ের একটি ছোট গ্রামে। যে নদের দক্ষিণ পাড়ে গড়ে উঠেছে চিত্তরঞ্জন রেলইঞ্জিন কারখানা। এই কারখানা গড়ে ওঠার আগে এবং তারপরেও এই অঞ্চলটি ছিল বনাঞ্চল। শুধু বন জঙ্গল নয়, উচ্চাবচ ভূমি, পাহাড়-টিলা, বিপুলাকৃতি পাথরের চাঙাড়, ছোট বড় ঝোরা --- সমস্তকিছু মিলিয়ে ছোটনাগপুরের মালভূমির আদিম প্রকৃতির অনেকখানিই  বিরাজ করত এই অঞ্চলটিতে। দূরে দূরে স্বল্পবসতির গ্রাম। তাও আম জাম মহুল, কেন্দু ভেলা পিয়াল, শাল শিমুল পলাশ বনের আড়ালে আড়ালে। আবার দিগন্তজোড়া তৃণহীন, নিষ্পাদপ প্রান্তর --- তাও ছিল নদীর পাড় বরাবর। আমার জন্মকালের আমার জন্মভূমির প্রকৃতি-পরিচয় এই জন্যই দেওয়া যে তাহলে শৈশব-কৈশোর কালের আমার মনের স্বপ্ন-কল্পনার সীমাহীন উড়ানের কথা-কাহিনীগুলি অবিশ্বাস্য ঠেকবে না।

ভোর বেলায় ঘুম ভেঙেই যেত, কেননা তখন রাত্রি এসেই পড়ত সন্ধ্যার ছায়া নামতে নামতেই। গরুর পাল ফিরতি পথে ধূলোর মেঘে ঢেকে দিত পুরো গ্রামটাই, শাঁখ বেজে উঠত রাধাশ্যামের ভাঙা মন্দিরের উঠোন থেকে আরম্ভ করে গ্রামের সমস্ত ঘরের তুলসীতলায়। মাঠ ঘাট থেকে হাঁক ডাক দিয়ে চাষী, নদী পেরিয়ে ঊর্দ্ধশ্বাসে হাটুড়েরা, কাজের লোকেরা, তাসপার্টি, তাসাপার্টি, খোল-করতাল-ওয়ালা বৈষ্ণব ভিখারী, আউল-বাউল, মোছলমান পাড়ার ঝোলা-কাঁধে ফকির, চামর-হাতে দরবেশ, গামছা-মাথায় বামুন ----- যে যেখানে 'পেটের দায়ে' বেরিয়েছিল সব্বাই আপন আপন ঘরে ঢুকতেই চারিদিক শুনসান। তখন ঘরের ভিতরে তেলচিটে চটের আসনে বসে, হ্যারিকেনের বা 'লম্ফ'-এর আলোয় বর্ণপরিচয় প্রথমভাগ, দ্বিতীয় ভাগ এবং একটি কোনা-ফাটা শ্লেট, এক টুকরো খড়ি পেনশিল নিয়ে কিছুক্ষণ বসে বসে, ঢুলে ঢুলে পড়া। তারপর আধোঘুমে, আধো জাগরণে খাওয়া (মা এক হাতে তন্দ্রাশিথিল ঘাড়টি ধরে অন্য হাতে ভাতের ঢেলা মুখের ভিতরে গুঁজে গুঁজে দিতেন) এবং ঘুমিয়ে যাওয়া। আবার ভোর। আবার ঘরের চৌহদ্দির মধ্যেই ঘোরাফেরা, বড় জোর সামনের আমবাগান আর ঘরের পিছনের ছোট পুকুরের পাড়। বালককালের কতগুলো বছর যে এই গন্ডীর মধ্যেই আবদ্ধ ছিলাম জানি না। হঠাৎ কখন বয়েস বেড়েছে, বড় হয়েছি, চারণভূমির সীমানাও বড় হতে হতে বাগানের শেষে মাঠ, মাঠ পেরিয়ে বন, বন পেরিয়ে নদী, নদী পেরিয়ে ভিন গ্রাম, ভিন শহর, ভিন দেশ এবং দেশান্তর। 

যখন কৈশোরকাল তখন যা দেখেছি তাতেই ঘোর লেগেছে। সূর্য ওঠা, সূর্য ডোবা, মাঠ ঘাট ডাঙা ডহর। ঝড় বৃষ্টি আকাশ বাতাস। নদ নদী ঝোরা, ঝাড় জঙ্গল, পাহাড়-টিলা। জল থৈ থৈ পুকুরগুলো, রায়দীঘি তো বটেই, এমনকি ডোবা-ডাঁড়ি। ছোট ছোট গাঁড়া গর্তের ভিতরে মনে হোত মায়ের-কাছে-শোনা গল্পের পাতালপুরী আছে। সে সকল দেখা স্বাভাবিক আর সড়গড় হতেই আরেক বিরাট বিস্ময়। সময় ছিল শরৎকাল। শান্ত-ঢেও অজয় নদীতে  ছিপে মাছধরার উপযুক্ত পরিবেশ। মাছ ধরবার সরঞ্জাম নিয়ে, পাড়ার খোঁড়াদাদুর সঙ্গে চলেছি। একেবারে রোদ-ঝলমলে দিন। বনের দিকে নয়, বাগানবাড়ির ডাঙা পেরিয়ে যাচ্ছিলাম। উপরের প্রায় নির্মেঘ আকাশ থেকে আলোর স্রোত নেমে আসছে  হড়পা বানের মত। কেন যে হঠাৎই দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম ! ওই রোদ, ওই আকাশ, ওই আলোজ্বলা অসীম মাঠ কী যে ভালো লাগছিল !
কি রে, দাঁড়ালি কেন ? কি দেখছিস ? -- খোঁড়াদাদুর তাড়া খেয়ে  প্রথমে চমকে উঠেছিলাম। কিন্তু, এখনও স্পষ্ট মনে আছে, দাদুকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,  

--- আচ্ছা দাদু, ঐ দূরে যেখানে এই ডাঙাটা শেষ হয়ে গেল, যেখানে আকাশটা নেমে এসেছে, সেখানে তুমি কখনো গিয়েছ ? ওইখান থেকেই তো সূর্য ওঠে, ওখানে গিয়েই ডুবে যায়‌। আমি দেখেছি।
দাদু বলেছিল, ওটি দিগন্ত। চারিপাশে ঘুরে ঘুরে দেখ্ ঐ রকমই দেখতে পাবি। কেও যেন গোল করে দাগ দিয়ে সীমা টেনে দিয়েছে। ওই হোল দিগন্তরেখা। ওটি তো একটি সত্যিকারের রেখাটানা জায়গা নয়, যত তুই তার দিকে এগিয়ে যাবি ওই রেখা ততই সরে সরে যাবে। আর আকাশটাও নীচে নেমে আসেনি। এখানে মাথার উপরে যেমনটি দেখছিস, দিগন্তের সীমা পেরিয়েও তেমনই দেখবি।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কতটা উঁচুতে উঠলে আকাশটাকে ছুতে পারব ?
কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর দাদু বলেছিল, আজ সন্ধ্যা বেলায় তোর বাবার কাছে  যাব। 


না, এরপর আমার শহরে যাওয়া, ইস্কুলে ভর্তি হওয়া, স্কুল থেকে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চাকরি-বাকরি -- এ সবের কথা বলার আর প্রয়োজন নেই। তা হলে আত্মজীবনী গোছের কিছু একটা হবে যেখানে সূক্ষ্ম মিথ্যার আড়ালে ঢেকে যাবে জীবনের সত্যরূপ। জীবনের কি সে সত্যরূপ ? না, তা জানতে পারিনি। খুঁজেছি, ভেবেছি, প্রশ্ন করেছি  ; কিন্তু পাইনি। দৃষ্টিতে পাইনি, উপলব্ধিতে পাইনি ; তবে কখনো ক্বচিৎ মনে হয়েছে (অনুভব বলাই সঠিক) কাম্যের অতিরিক্ত কিছু যেন সারাটি দেহমন জুড়ে, ঘনঘোর শ্রাবণের ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত্রের বিদ্যুৎ ঝলকের মত, কি যেন জ্বলে ওঠে আঘাত করে‌ই হারিয়ে গেল।
আমি বামুনঘরে জন্মেছি। (আহা, মানুষের বিশ্বজাগতিক সংসারে এই বামুন অ-বামুন যদি না থাকত তবে সে কী আনন্দময় মিলনোৎব দিকে দিকে !) কাজেই ঘরে দেখেছি বছরভর নানা ব্রত পার্বণ, পূজা উপাসনা তন্ত্রমন্ত্র। আমার উপনয়নেও সে কী নিয়ম, বিধি-বিধানের ঘটা। তারপর নিজের সংসার  ; সেখানেও, এই এতটা কাল পর্যন্ত কত আচার, কত সংস্কারই না পালন করে এসেছি, গ্রহণ বর্জন মেনে নিয়েছি। যা করছি বা করিনি তা যেন কোন এক অজানা-অচেনা, অদৃশ্য-অমীমাংসিত 'শর্তের' বাধ্যবাধকতায়।

ভাগ্যই বলি বা সুযোগই বলি, অনেক দিন বেঁচেও আছি। এই বেশীদিন বাচাঁর ফলে হয়েছে কি, ব্যক্তিজীবনের দ্বন্দ্ব, পারিবারিক জীবনের সুখ দুঃখ, মিলন সংঘাত যেমন ভোগ করে এসেছি তেমনই সমাজজীবন এবং (আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির অবিশ্বাস্য উন্নতির ফলে) সারা পৃথিবীর চলমান জীবনের সঙ্গে প্রত্যক্ষরূপে বা পরোক্ষভাবে জড়িয়েও রয়েছি। কিন্তু রয়েছি একটি নশ্বর দেহের মধ্যেই। এখানে, এই চিন্তা মাথায় আসতেই মনে হোল দেহ-বিবিক্ত বা দেহাতিরিক্ত একটি সত্তা আমার আছে যা একই সাথে হরিমন্দিরে বসে ভাগবৎ পুরাণের কৃষ্ণকথা শুনে প্রেমাশ্রু বিসর্জন করছে ; আবার   অজানা কোন দেশে, অচেনা কোন অসহায় নর নারী বা শিশুর নৃশংস মৃত্যুর খবর পেয়ে হাহাকার করে উঠছে। দরদবিগলিত শোকাশ্রু ঝরে পড়ছে। অদেখা রাধাবল্লভের সঙ্গে প্রেমেও যেমন, আর অচেনা দুর্ভাগা কোন মানবের যন্ত্রণার সঙ্গেও তেমনই সে একাত্ম।
আমার কোনটি এই পৃথিবীব্যাপী আত্মা, বা আরও বাস্তব ও সহজতর শব্দে বলা যায় 'মানবাত্মার' সঙ্গে সহমর্মিতা রাখে, সহধর্মিতা পোষণ করে, সমত্ব বা একত্ব বোধ করে ? ইদানিং নিরন্তর এই প্রশ্ন আমার মনের মধ্যে জাগে। শরীর ছাড়া আমার আর কি আছে ? উত্তর পাই --- শরীর ছাড়া আছে মন, বোধ, বুদ্ধি। আছে ইন্দ্রিয়গুলির, জ্ঞানেন্দ্রিয়গুলির কর্মশীলতা বা আবেদন।
কিন্তু এ-সবের তো ক্ষয় লয় আছে। শরীরটার সাথে সাথে সবই শেষ। বাবার শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে আমাদের কুলপুরোহিত গীতা পাঠ করেছিলেন। সকলের সাথে আমিও বসে আছি, শুনছি। পুরোহিত মশাই একটি শ্লোক বার বার, জোরে জোরে উচ্চারণ করছিলেন, আর বোঝানোর খুব চেষ্টা করছিলেন। না শুনে উপায় নাই, এমনি অবস্থা। অতএব মন দিয়েই শুনতে লাগলাম। 

"অবক্তাদীনি ভূতানি ব্যক্তমধ্যানি ভারত।
অব্যক্তনিধনান্যেব  তত্র কা পরিদেবনা।।" 

প্রথমত বুঝতে পারিনি। কিন্তু যেই অনুষ্ঠান শেষ হয়ে এল, আমন্ত্রিত-নিমন্ত্রিত, আত্মীয় স্বজন একে একে বিদায় নিলেন। গৃহপরিবেশে একটি শান্ত বিষাদময়  বিষন্নতা নেমে এল। গুছিয়ে নেবার, ধোওয়ার-মোছার, রাখার-ফেলার যা যা ছিল তাও সারা হোল অপূর্ণতার অতৃপ্তি সত্ত্বেও। এবার ক্লান্তি। শোকের, দুঃখের, উদ্বেগের, উৎকণ্ঠার শেষে এ যেন নিরানন্দের অবসন্নতা। কিন্তু ঘুম ছিল না চোখে। গত-হওয়া সমস্ত কাজ, মানা, না-মানা  সংস্কার সবই যেন সন্ধ্যার ছায়ার মত মিলিয়ে গিয়েছে  ; শুধু পুরোহিত মশাইয়ের ঐ কথাগুলি যেন আরো তীক্ষ্ণ হয়ে, স্পষ্টতর হয়ে মনে পড়তে লাগল সারা রাত।
ভোরের ক্ষীণ আলো দেখা দিতেই উঠে পড়লাম। উঠান পেরিয়ে, সামনের আমবাগানটা পেরিয়ে, ছোট একটা টিলার উপর গিয়ে দাঁড়ালাম। পূর্বদিগন্ত ধীরে ধীরে লাল, তারপর গৈরিক। গেরুয়া বসনপরা আকাশ-সংসারের মহাসন্ন্যাসী। সূর্যদেবের এমন আবির্ভাব এই প্রথম দেখলাম যেন। জীবনের তিনটি দশক পেরিয়ে এসেছি সূর্যোদয়ের এমন রূপ কখনও, কোনদিনও চোখে পড়েনি। ভৌর থেকে সকাল, আকাশের গায়ে আলোর এত যে খেলা, এত যে রঙের, রূপের পরিবর্তন -- দেখতে দেখতে তন্ময়তার এমন ঘোর জেগেছিল যে, ভুলেই গিয়েছিলাম বিগত দিনগুলির দুঃখের, কষ্টের, শোক-বিষাদের যন্ত্রণা। হঠাৎই মনে হোল গতকাল অপরাহ্ন বেলার পুরোহিত মহাশয়ের সেই মন্ত্রটির কথা  কিছুটা যেন বুঝতে পারছি। সত্যেই তো, আজ সকালে তো গত রাত্রির অন্ধকার আর নাই। সে তো ফিরবেও না আর কোন দিনও। 'অব্যক্তাদীনি ভূতানি।'

আবার যাই তাঁর কাছে। যে মন্ত্রগুলি তিনি শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে উচ্চারণ করেছিলেন, আবার সেগুলি শুনে আসি। ভালো করে জেনে আসি কী কথাই না বলা আছে সে সকল মন্ত্রে। পুকুরে স্নান সেরেই ঘরে ফিরলাম, পুরোহিত মহাশয়ের জন্য আরো কিছু ফলমূল, ঘি, গোবিন্দভোগ চাল নিয়ে গেলাম তাঁর বাড়িতে, এ গ্রামেরই   শেষ মাথায়। 

পুরুতমশাই হরগোবিন্দ ভট্টাচার্য (হারু ঠাকুর বলেই এ তল্লাটে তাঁর পরিচিত) অতি পণ্ডিত মানুষ। পৌরোহিত্য, তিনি বলেন, তাঁর জাতকর্ম, পেশা নয় ; এবং তা সত্যও। দান-দক্ষিণার প্রতি তিনি চিরকালই উদাসীন। আমাকে তাঁর আঙিনায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বিস্মিতই হলেন।
--- এসো, এসো বাবা, কেনই বা আজ বেরোলে ? কয়েক দিন ধরে কত মনের কষ্ট, শরীরের পরিশ্রমই না গিয়েছে। দুটো দিন শান্ত হয়ে বিশ্রাম নাও।
---- না না ঠাকুরমশাই, শরীরের শ্রান্তি তেমন নেই। মনে হোল আপনাকে প্রণাম করে আসি, তাই। আর আপনি গতকাল যে মন্ত্রটি বলেছিলেন, সেটি আরও একবার শোনার বড়ই ইচ্ছা জাগল ঠাকুরমশাই। ভাবলাম আপনার কাছে জেনে আসি, বুঝে আসি।
হরঠাকুরের চোখ মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। আমাকে বললেন, এসো।
তাকে অনুসরণ করে প্রবেশ করলাম লম্বা বারান্দার কোঠা বাড়ির শেষপ্রান্তে একটি কক্ষে।
                                 (ক্রমশ)
লেখাটি ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি পর্বে প্রকাশিত হবে।









1 টি মন্তব্য:

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...