ধূসর আকাশ, তপ্ত বাতাস, দগ্ধ ধরণী ছেয়ে
শ্যামল, কোমল, সজল মায়ার সান্ত্বনা এলো ধেয়ে।
বর্ষণধারা, শীতল সমীর, তরুলতা নবকান্তি,
বাইরে ও ঘরে চরাচর জুড়ে বিরাজে অপার শান্তি।
দিগন্তরেখায় কাজল লেখায় কালোচোখ মেঘবালা
বিদ্যুৎ-পাড় কালো শাড়ি পরা, হংস সারির মালা।
নাচে আনন্দে, তোটক ছন্দে, দেয়া গরজন গীতে
প্রান্তরে বনে জাগে শিহরণ নটিনী তটিনী মাতে।
অঞ্চলে ঢাকা দিনের তপন রাতের চন্দ্র তারা
প্রিয়া পরদেশে গাইছে হতাশে পাপিয়া তন্দ্রাহারা।
আমি বাংলার, অনাদিকালের পিয়াসী চাতক কবি,
মরু মরীচিকা সইতে পারিনা, চাই ছায়াঘন ছবি।
ঝর ঝর জল ঝরে অবিরল ছল ছল শ্যাম ধরা,
'রবিরাগে' সাধা মেঘ মল্লারে দিবস রজনী ভরা।
নদ নদী স্রোতে কল কল সুর টল টল ঝিল বিল,
ঘরের ছাঁচায় ডানাভেজা কাক, গাঙ পাড়ে গাঙচিল।
সাঁঝের বেলায় ভিজা আঙিনায় দাঁড়ায়ে উতলা জননী,
"কোথা গেলি ওরে, আয় বাছা ফিরে, ঘনায় আঁধার রজনী।"
বাঙলা মায়ের সব সন্তান হাসি মুখে এসো ঘরে,
সিক্ত স্নিগ্ধ শ্যামলাঞ্চলে রক্ত না যেন ঝরে।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১০/০৬/২০২৩ ।
নববর্ষার আগমনী কবিতার শেষ অংশে ভাষ্যিত ভোটের ছবি
উত্তরমুছুনশেষ অংশ চিন্তার বিষয
উত্তরমুছুনKabiter madhurje barsa mohito hoea gache....Anupam
উত্তরমুছুন