কোলে মাথা রেখে ধরার দুলালী ঘুমায়ে রয়েছে মেয়ে।
'সুন্দর' নিজে এরূপ গড়েছে, জ্যোৎস্না দিয়েছে লাবনী,
হৃদয়ের প্রেম-মৃত্তিকা মেখে প্রতিমা গড়েছে অবনী।
মুখশশী দেখে মেটে নাকো আশা ননীর পুতুল দেহ,
শাশ্বত মায়ের বুক ভাঙা রূপ, মূর্তি ধরেছে স্নেহ।
হে রজনী, তুমি পোহায়ো না আজ, চাঁদ তারা থাক
গগনে ।
আলোময়ী ঊষা, তুমিও ঘুমাও মধু বিভাবরী লগনে।
আসুক বাতাস, কুসুম সুবাস, ডাকুক না পাখী কাননে,
নিদ্রা, তুমি অচল শান্ত থাক প্রশান্ত নয়নে।
জগজ্জননী, দনুজদলনী, চিন্ময়ী দেবী ভবানী,
বাংলা মায়ের মায়া অঞ্চলে কন্যা নয়নমণি।
মাতৃস্নেহের অমর্ত্য প্রতিমা দেখি আর মনে ভাবি ---
সপ্ত স্বর্গে আছে কি কোথাও এমন মর্ত্য ছবি ?
মঙ্গলময়ী কল্যানী মাগো, যদি যাও এসো ফিরে
বক্ষ শোণিতে রাঙাবো চরণ, পূজিব অশ্রু নীরে।।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
নবমীর রাত্রি শেষে
১৮ই আশ্বিন ১৪২৯
০৫ ই অক্টোবর ২০২২
ব্যাঙ্গালোর।
খুব ভালো লাগলো ঠাকুর
উত্তরমুছুন