আমি নিশাচর, সইতে পারি না দিনের আলোর জ্বালা।
নিশীথিনী-কেশ আয় মা করালী বক্ষে মুণ্ডমালা।
দিগ্বসনা দিগম্বরী, এ কী তিমিরবরণা জননী !
মহাকাল-বুকে রাখা শ্রীচরণ ? তুই মহাকাল ঘরণী ?
হস্তধৃত ছিন্নমুণ্ড, মহাখড়্গ,---শোণিত পাত্রে
কার সে রক্ত? পিপাসা মিটাও ঘনান্ধকার রাত্রে!
একটি হাতের বরাভয় তোর, কারে বা অভয় দান ?
সৃষ্টিপ্রসূতা জগজ্জননী, কেন এ রক্তস্নান ?
বুঝিনা মা, তাই সঙ্গ নিয়েছি রক্তলেহন আশায়,
মাতৃ প্রসাদে মিটাব পিপাসা উদগ্র লালসায়।
দীপ্ত দিনের মুক্ত আলোয় হাসিমুখ ব্যভিচার,
পঞ্চ-ম-কার তান্রিকতায় কাপালিক অভিচার,
নারকী হিংসা, নরমেধ, হেথা মেদদাহ পূতিগন্ধ,
রক্তনেশায় রক্তের হোলি হয়না ধরায় বন্ধ।
ক্ষোভে দিবালোকে মিটাতে পারিনা আমার রক্ততৃষা।
তাই চাই এই বিশ্বভূবনে ছেয়ে থাক্ চিরনিশা।
চেতনার জ্যোতিঃ দাও গো জননী সৃষ্টি সারাৎসার --
দিবসের আলো, রাতের আঁধার হয়ে যাক্ একাকার।
শ্রী দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯/১০/২০২২
ব্যাঙ্গালোর।
নিজস্ব উপলব্ধির কবিতা
উত্তরমুছুন