কখনো চরণে, কখনো স্মরণে, কখনো মানস রথে
অফুরান পথে পাড়ি দিতে দিতে ক্লান্ত হয়েছি আমি।
অদৃশ্য রথের হে মহাসারথী, নিখিল ভূবন স্বামী,
এবার তো থামো, থামাও এ-রথ, মনোরথ যাক্ থেমে,
নিভে যাক্ এই আলেয়ার আলো, আঁধার আসুক নেমে।
নিবিড় আঁধার, ঢাকা চারিধার ভূমি ভূমাকাশ-হারা,
নিরন্ধ্র খনি-গর্ভের কালো ডাক নাই, নাই সাড়া
অর্থবিহীন মায়া মোহ আশা, নিষ্ফলা যশোগৌরব
কুরুক্ষেত্র চিতাগ্নিশিখায় কেবা পাণ্ডব, কৌরব ?
যতটুকু আমি, আমার যা কিছু কোথা থাকে তার চিহ্ন?
অনন্ত পথ চারণার শেষে পথ ও পথিক ভিন্ন !
এ আলোক দীপ, এই মহাকাশ, শ্যামাসুন্দরী ধরণী,
শুধু ক্ষণিকের মরীচিকা মায়া চিত্ত-চেতনা-হরণী।
তবু কোথা হতে সহস্রধারায় অজস্র প্রাণ কণিকা
আসে ভেসে ভেসে, অন্তরে জ্বলে কামনা নাগের মণিকা।
স্বপ্নের ঘোরে কাটে এ জীবন স্বপ্নের ধন কুড়ায়ে --
নিশার স্বপ্ন ভেঙে যায় পাছে, থাকি স্বপ্ন-আঁধার জড়ায়ে।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৩১/০৫/ ২০২২
শিলিগুড়ি।
E jibon oviggta bojha je onek kothin......
উত্তরমুছুন