রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

জাত্যাভিমান, ধর্মান্ধতা ও গান্ধী

জাত্যাভিমান, ধর্মান্ধতা ও গান্ধী 

আজ ২রা অক্টোবর।

পর পর কয়েকটি পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক বাণী উদ্ধার করতে চাই এই কারণেই যে সুধী পাঠকবৃন্দের অন্তঃকরণে স্পষ্ট প্রতিভাত হয়ে উঠবে ধর্মান্ধতা, জাতিবাদ ও রাষ্ট্রবাদের মূল উৎসটি কি ও কোথায়‌। মানুষের আবির্ভাবের উষালগ্নে 'ধর্ম' ছিল মানবতা। ভীষণা প্রকৃতির মারণলিপ্সার বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করবার জন্য যেমন নিরন্তর সংগ্রাম ছিল তেমনি ছিল নিজের গোষ্ঠীর সকলকে বাচাঁনোর দায়। সেই 'সংগ্রাম' সেই মানবিক 'দায়' ছিল মানুষের ধর্ম।‌ 

"মহাভারতের শান্তিপর্বে পিতামহ ভীষ্ম বলছেন, সর্বপ্রথমে পৃথিবীত রাজ্য, রাজা, 'দণ্ড', দণ্ডার্হ ব্যক্তি কিছুই ছিল না। মানুষেরা একমাত্র ধর্ম অবলম্বন পূর্বক পরস্পরকে রক্ষা করিত। মানবগণ এইরূপে কিছুদিন কালযাপন করিয়া পরিশেষে পরস্পরের রক্ষণাবেক্ষণ নিতান্ত কষ্টকর বোধ করিতে লাগিল। ওই সময়েই 'মোহ' তাহাদিগের মনোমন্দিরে প্রবিষ্ট হইল। মোহের আবির্ভাববশতঃ ক্রমশঃ জ্ঞান ও ধর্মের লোপ হইতে লাগিল এবং মানবগণ ক্রমে ক্রমে লোভপরতন্ত্র,  পরধনগ্রহণতৎপর, কামপরায়ণ, বিষয়াসক্ত ও কার্যাকার্য-বিবেকশূন্য হইয়া  উঠিল।। এই অবস্থার হাত  হইতে মানুষকে মুক্তি দিবার জন্যে সৃষ্টি হইল রাজা, রাজধর্ম, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রনীতি।"
      

"আজ সঙ্ঘ পরিবার যে দাবি তুলছে তার অনেকগুলির উৎস গত শতাব্দীর ত্রিশের দশকের হিন্দু সত্তাসংকটে। হিন্দু মহাসভা বলতে থাকে ভারতীয় সংস্কৃতি ও হিন্দু সংস্কৃতি সমার্থক। ভারতীয় জাতীয়তাকে হিন্দু জাতীয়তা হতে হবে। সাভারকার বললেন,  হিন্দুস্থানকে শুধু পিতৃভুমি মানলে চলবে না, পুন্যভূমি বলেও মানতে হবে। এর অর্থ যে মুসলিমরা হবে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক, তা অনুল্লেখ্য কিন্তু স্পষ্ট।"
                                       -----------অমলেশ ত্রিপাঠী।

১৯৩৯ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের গুরু গোলওয়াকার এক পুস্তিকায় লেখেন ----
"The non-Hindu peoples in Hindustan must either adopt the Hindu Culture and language, must learn to respect and hold in reverence the  Hindu religion, must entertain no ideas but those of glorification of the Hindu race and culture. ... In one ward, they must cease to be foreigners, or may stay in the country, wholly subordinated to the Hidu Nation, claiming nothing, deserving no privileges ----- far less any preferential treatment ----- not even citizen's rights."
         (------We or Our Nationhood Defined) 


বিগত শতাব্দীর সেই ত্রিশের দশকের বিশ্বধংসী বিবাদ। স্লাভ ও ইহুদী জাতিকে অবদমিত করে বিশুদ্ধ আর্যত্বের শ্রেষ্ঠত্ব-ঘোষণা। হিটলার বিষাক্ত শাণিত বক্তব্যে প্রচার করতে লাগলেন সেমেটিক জাতির ষড়যন্ত্রে  আর্য জার্মানী বিপন্ন। ভারতেও সেই একই উচ্চারণ, একই ঘোষণা ! আর এস এস-এর মুখপত্রে সেই একই আসন্ন জাতিদাঙ্গার নরমেধ যজ্ঞে ঘৃতাহুতি ! হিন্দু জাতি, হিন্দু সংস্কৃতির, হিন্দু ধর্ম বিপন্ন ! অপরদিকে, প্রথম দশক থেকেই সৈয়দ আহমদের প্রচার। তার আলীগড় দলের দাবী,--- পৃথক নির্বাচন, বিশেষ গুরুত্ব (weightage). নূতন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠল কুড়ি ও ত্রিশের দশকে। আরও তীব্র, তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল সাম্প্রদায়িক বিভাজন। এখানে উল্লেখ করা দরকার সেই ১৯০৫/'০৬ সাল থেকেই ইংরেজদের divide and rule. কার্জন, মিন্টো, রিজলেদের চক্রান্ত।  ফল হাতে হাতে। ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মুসলিম লিগ, পরের বছর হিন্দু মহাসভা। (প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ ১৯২১, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ, ১৯২৫)। এর পরেকার ইতিহাস বিসর্পিল, জটীল এবং অমানবিক।

এইভাবে ভারত স্বাধীন হওয়ার বহু পূর্ব-সময়কাল থেকেই ভারতবাসীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের দায় যাঁরা নিয়েছিলেন তাঁদের অবিমিশ্রকারিতা ও অদূরদর্শিতার  ফলে সাম্প্রদায়িকতা ধীরে ধীরে এমন এক নারকীয় পরিবেশ সৃষ্টি করল যার শেষ, বীভৎস পরিণতি এল ১৯৪৬-সালে। ওই বছর অক্টোবরে মহম্মদ আলি জিন্নার প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ডাক, কলকাতার দাঙ্গা, বিহারের দাঙ্গা এবং সমুহ সর্বনাশ --- বাঙলার ইতিহাসের বীভিষিকা নোয়াখালীর গণসংহার---- লুণ্ঠন,  নারীধর্ষণ, শিশু-কিশোর-তরুণ-বৃদ্ধদের নির্বিচারে হত্যা --- ভারতের বুকে দুর্মোচনীয় ভেদরেখা এঁকে দিয়ে দিয়ে গেল চিরকালের জন্য। দাঙ্গা বন্ধ করার তাগিদ নিয়ে, দাঙ্গাবিধ্বস্ত মানুষের আর্তনাদ শোনার আন্তরিকতা নিয়ে, দেশের কোন হিন্দু বা মুসলমান নেতৃত্ব যান নি সেদিন। গিয়েছিলেন আশাহত, বিধ্বস্ত বৃদ্ধ গান্ধী আর দেশের মাতৃসমা নারীনেত্রী সুচেতা কৃপালিনী। কিন্তু তাঁদের দৌত্যও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল কেননা গান্ধীজীর অনুপস্থিতিতেই কংগ্রেস তখন মেনে নিয়েছিল দেশভাগ। মারণলিপ্সার নরমেধ যজ্ঞে পূর্ণাহুতি ! বাঙলা আর পাঞ্জাবের উদ্বাস্তুদের জীবন হয়ে উঠল জীবন্ত নরক। 

(বাঙলার এই মর্মান্তিক ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির অবকাশ এখানে নেই। একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধে সেটি লেখার ইচ্ছা রইল)। 

" দেশ স্বাধীন হল, দেশভাগ হল --- রেখে গেল কি গ্লানিময় পঙ্কসয্যা ---- দেশ হারাবার, প্রিয়জন বিচ্ছেদের, গণহত্যা, নারীধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠনের কী দুর্মর দুঃস্বপ্ন ! এই দুঃস্বপ্নের‌ দুর্মোচনীয় অভিশাপ ভারতের  ধর্মীয় রাজনীতিকে পরিপুষ্ট করছিল, (আজও করে চলেছে)। 
গান্ধীর দিকে আঙুল তুলে সেদিন আর এস এস বলেছিল‌, 'হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের কথা বলে দেশের প্রতি সবচেয়ে বিশ্বাঘাতকতা করেছেন তিনি।''
তাই কি 'হিন্দুদের ঈশ্বরের দূত' হয়ে এসেছিলেন তিনি, যিনি তাঁকে তাঁর উন্মুক্ত বুকে গুলি করলেন প্রার্থনা মন্দিরে ? যুগ যুগ আচরিত সনাতন ধর্মের ফরমান নিয়ে ? অহিংসার পূজারীর শোণিতার্ঘ্য দানের পরেও কি দেশমাতৃকার আরও বলি চাই ? আরও রক্তাঞ্জলি ?!
সে দিনের পর থেকে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত দেশের বিধাতৃ যাঁরা, ঈশ্বরের দূত যাঁরা‌, তাঁরা গান্ধীজীর জন্মদিনে, মৃত্যুদিনে তাঁর‌ সমাধিস্থলে‌‌ পুষ্পস্তবক রাখেন, মালা দেন, নীরবতা পালন করেন।  তা অনুতাপের, না স্বস্তির  ? বোঝা যায়না। 

বোঝা না গেলেও এটুকু উপলব্ধি করা যায়‌ যে 'হিন্দু' আর 'মুসলমান' এই শব্দ দুটিকে দুটি সম্প্রদায়ের 'প্রতিনিধি' করে রঙ্গমঞ্চে এক ভয়ঙ্কর ও উত্তেজনাকর যাত্রাপালা আরম্ভ হয়েছে আবারও। এই যাত্রাপালার কুশী-লবদের দুটি পক্ষ। এক পক্ষ 'সনাতনী' বা 'হিন্দু' নামে, অপরপক্ষ 'ইসলাম বা মুসলিম বা মুসলমান' বলে‌ নিজেদের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন।
গভীরভাবে যদি এই কুশী-লবদের বাস্তবজীবনের আলোচনা করি তবে দেখব তাদের উভয়েরই জন্মভূমি, কর্মভূমি একই ; সাধন ভূমি, অর্থাৎ জীবনাচরণের ঠাঁইও এক। জন্ম এই মাটিতে এবং ছাত্রাবস্থা, গার্হস্থ্য, প্রৌঢ়ত্ব বার্ধক্য পেরিয়ে একই মাটিতে--- চিতায় বা কবরে শেষ আশ্রয়। তাহলে 'হিন্দু' ও 'মুসলিম'- দের মধ্যে এই বিদ্বেষ, বিভাজন ও হিংস্রতার কারণ ? কারণ ধর্মকে অস্ত্ররূপে, পন্যরূপে, শোষণের জাদুদণ্ডরূপে ব্যবহার করবার প্রবনতা। 

(এ বিষয়ে বিশদে আলোচনা আছে  মৎরচিত 'ধর্মসংকটের বলি মানবতা' প্রবন্ধে, গ্রন্থ-- 'বিন্দুতে সিন্ধু দর্শন'।) 

আধিপত্য বিস্তারের প্রয়াসে ধর্ম কিভাবে রাজা, সম্রাট, রাজনীতির নায়কদের তথা শাসকের হাতের অস্ত্র হয়ে উঠেছিল (এবং উঠেছে) তার অমানবিকতার, নির্মমতার ইতিবৃত্ত রোমান ক্যাথলিকদের 'ইনকুইজিশন'- এ, ক্রুশেড যুদ্ধের সময়কালে এবং খ্রীষ্টান রাজশক্তির ক্রমসম্প্রসারণের উদগ্র অভিযানে সভ্যতার কলঙ্কিত কালিমায় লিপিবদ্ধ আছে।  বিশেষ করে এশিয়ার ও‌ ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলিকে শাসনে, ত্রাশনে রাখার জন্যে, শোষণের‌ শাসনতন্ত্র কায়েম করবার উদ্দেশ্যে ধর্মকে অস্ত্র হিসাবে যেভাবে তারা ব্যবহার করেছে তাতে সে সকল দেশের কত যে অবোধ প্রাণ, মৌলিক সংস্কৃতি, ভাষা ও আদিম সমাজব্যবস্থা ধংস হয়ে‌ গিয়েছে তার ইয়ত্তা নাই।
আর আমাদের দেশে এই দুটি জাতির ধর্মবিশ্বাসের মধ্যে সহনশীল সহবস্থানের চেষ্টা চলেছে প্রায় এক হাজার বছর ধরে। দুটি ধর্মধারণার কঠোরতা ভেঙে, মিলনাত্মক ধর্মবোধের সৃষ্টিও হয়েছে, (যেমন পীর, সত্যপীর, ফকিরী, মুরশেদী, আউল বাউল প্রভৃতি---) কিন্তু ধর্মগুরুদের, ধর্মের মোরসীপাট্টা যাদের হাতে, তারা তাদের নিহিত বা কায়েমি স্বার্থের চিরকালিন প্রভুত্ব হারাবার আতঙ্কে ধর্মের বিচারহীন মৌলবাদি কাঠামোটিকে রক্ষা করবার অজুহাতে, প্রচ্ছন্ন বা অপ্রচ্ছন্নভাবে ঐ মানবিক‌ মিলনপ্রয়াসী লোকায়ত ধর্মভাবগুলির বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর আঘাত হেনেছে, যুগে যুগে। এই আঘাত দুই দিক থেকে। প্রথম রাজা বা শাসনতন্ত্রের সাহায্য নিয়ে ; আর দ্বিতীয় সামাজিকভাবে ঘৃণা ছড়িয়ে এবং হিংস্র অত্যাচারের মাধ্যমে।
দূর বা অনতিদূর ইতিহাস স্মরণে না এনেও একেবারে বর্তমান ভারতবর্ষের প্রেক্ষাপটে বিচার করলে স্পষ্ট হয়ে উঠবে এই ভয়ঙ্কর সত্য। ভারতবর্ষের অভ্যন্তরিণ সমাজ পরিবেশে হিন্দুত্বের উগ্র উন্মাদনাপ্রসূত অ-হিন্দুদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন এবং বহিরাগত ঐশ্লামিক কট্টরপন্থীদের দ্বারা নিরস্ত্র, নিরীহ, পর্যটকদের অচিন্তনীয় বিভীসিকাময় গণহত্যা। 

এই যে বিদ্বেষ ও ঘৃণা, হিংসা ও হত্যা --- উক্ত ধর্মগুলির শাস্ত্রও নাকি সমর্থন করে। শুধু সমর্থনই করে না, পুরস্কারের প্রতিশ্রুতিও দেয়। যারা নিজ নিজ 'ধর্ম'কে ঐরূপ নির্দয়তার সঙ্গে পালন করবে তাদের জন্য মহান স্রষ্টা বা দেবতা ও দেবতারা চিরবসন্তবিরাজিত, জরা-মৃত্যু- ব্যাধিহীন, ভোগবিলাসের উপকরণসমন্বিত অক্ষয় স্বর্গলাভের ব্যবস্থা করেই রেখেছেন।
এমত বিশ্বাস যদি ধর্মবিশ্বাসীদের মনের মধ্যে একবার দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়ে যায় তবে তাদেরকে প্রতিহত করা, প্রতিরোধ করা দুরূহ ; স্বয়ং ঈশ্বর (যদি নিখিল বিশ্বের অনাবিস্কৃত কোন জ্যোতিরর্মণ্ডলে থেকেও থাকেন) ধরাধামে সকায়ে অবতীর্ণ হলেও তাঁর পক্ষেও সম্ভব হবে না। তিনিও নির্ঘাত ব্যর্থ হবেন ; যেমন ব্যর্থ হয়েছেন মানব চৈতন্যের মূর্ত মূর্তি গৌতম বুদ্ধ, জৈনমুনি, মুশা-ঈশা- মহম্মদ, শ্রীচৈতন্য, শ্রীরামকৃষ্ণ তেমনই ব্যর্থ অহিংসার পূজারী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
তেমনই আবার আমাদের, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-হারা যারা, তাদেরও ক্ষীণ, রুগ্ন, সন্ত্রস্ত মানবিক প্রার্থনা অশ্রুতই থেকে যাবে আততায়ীর বুলেট-বোমা-বারুদের কর্ণবিদারী মারণনাদের তাণ্ডবে, কিংবা পঞ্চ 'ম'-কারের উন্মত্ত, উন্মাদ, আত্মা-আত্মহারা 'আন্দোচ্ছ্বাসে' যা মানবতাবাদী বিবেকের অপমত্যুর নামান্তর। 

আজ আবার শারদোৎসবের পরিসমাপ্তি --- বিজয়ার 'মিলনসন্ধ্যা'। এর মাঝখানে আবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শতবার্ষিক জন্মলগ্নও। শধুমাত্র বাংলায় নয়, দেবব্যাপী বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠানের কোলাহলে মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনটি (২রা অক্টোবর) দিনান্তের অন্ধকারে মুখ লুকালো। 'অর্ধ-উলঙ্গ ফকির' এই গান্ধী কে ছিলেন, কেমন মানুষ ছিলেন, কেন ছিলেন এই ভারতবর্ষ নামক দেশে তা আজ গবেষকদের বিষয় হলেও, তাঁর মানবপ্রীতি, তার দেশহিতৈষণার কর্মব্রত, তাঁর সত্যান্বেষী লেখনীর সৃষ্টিসম্পদ আজ কোন এক ভীতিপ্রদ ভ্রুকুটীভঙ্গে যবনীকার অন্তরালে অন্তর্হিত। 

শান্তি নয়, ধংস চাই !

নিয়তি কেন বাধ্যতে।

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৩১শে জানুয়ারী,২০২৫
কলকাতা।
___________________________________________

1 টি মন্তব্য:

  1. বিজয়া দশমীর মিলনলগ্ন আজ ধীরে ধীরে উপেক্ষিত,,, সম্প্রীতি শব্দটি আ যবনিকার অন্তরালে আশ্রয় নিচ্ছে,,,,, শাসন দন্ডের লোলুপতা আজ হিটলার কে স্মরণ করায়,,,,,, বোদ্ধা মানুষ আজ কিংকর্তব্যবিমূঢ়,,,,,, অস্তিত্বের সংকটে আজ এক ই বৃন্তে ফুটে ওঠা দুটি কুসুমের অসহায় মনুষ্যত্ব,,,,,, এসো একসঙ্গে আমরা স্তব করি, "যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি,,,,,,,,, যদি বিশ্ব স্রষ্টাকে মনে করিয়ে দিই তাঁর অঙ্গীকারের কথা,,,,,,,,,,,তাপস নায়েক, সোনামুখী বাজার

    উত্তরমুছুন

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...