মরণের মুখ
এবার ক্লান্তি আসে দেখে দেখে মরণের মুখ।
কোথাও নাই তার বিষন্ন শান্তির পরম মৌনতা।
আয়ু হবে পরমায়ু, ফুলে ফলে ভরা জীবনের গান
সাঙ্গ হবে একদিন সায়ান্ন বেলায়, আপনার জন
নির্বাক নীরবে চেয়ে দেখে নেবে শেষ দেখা,
নিঃশব্দে পড়বে ঝরে অশ্রুজলধারা ইতি উতি
অদৃশ্য কোন গৃহকোণে লজ্জানম্র চোখ হতে
অন্তরঙ্গ বৃদ্ধ বিরহীর। তারপর কর্মবাহী নূতন যৌবন,
আমার হৃদয়পুটে অস্ফুটিত আশার ভাষার কলি
ফোটাবার দায় যার, নিয়ে যাবে আমার আমিত্বহারা
চিহ্নহীন শূন্যতার পারে। বিদায়ের এহেন উৎসব মানি,
জানি আবির্ভাব তিরোভাব অঙ্গে অঙ্গে বাঁধা ;
কিন্তু অকালের ঝরেপড়া আধফোটা, ছিন্নবৃন্ত
কুঁড়ির মতন তরুণের তরুণীর লাশ যদি থাকে পড়ে
ঘরে বা প্রান্তরে, রক্তের আলপনা কপোলে কপালে --
তবে সেই অন্তিমের শান্তি কোথা, কোথায় সান্ত্বনা ?
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
০৩-০৯-২০২৪
ব্যাঙ্গালোর।
___________________________________________
এই কবিতাটি বর্ত্তমানের ছায়া অবলম্বনে পড়ার পর মনি বিষণ্ণ হয়ে যায়
উত্তরমুছুন