অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
এখন রোজ রাতে দিন গুনি, লিখে রাখি
প্রতিটি দিনের স্বরলিপি --- আনন্দের বিষাদের,
মিলনের বিরহের, এমনকি রক্তদানের, রক্ত পানের।
যে সঙ্গীত বেজে ওঠে পথে ঘাটে, মাঠে ময়দানে,
নৈতিকতার সভামঞ্চে, ধর্ম-ধরার উন্মত্ত মিছিলে,
নৈমিত্তিক কুরুক্ষেত্রে আত্মহননের উন্মাদ তান্ডবে,
প্রকৃতি নিধনের খান্ডব দহনে --- সব লিখে রাখি।
লিখে রাখি দুর্বলের দুর্বিসহ ব্যথার বিলাপ,
লিখে রাখি সুজনের স্বার্থহীন সেবার প্রয়াস।
লাভ ক্ষতি, জয় পরাজয় যতি চিহ্নে রাখি পাশাপাশি।
জানি এই পাণ্ডুলিপি প্রকাশ পাবে না কোন দিনও।
চৈত্রের ঝরাপাতা বৈশাখের ঘূর্ণিঝড়ে যায় উড়ে,
আর কি ঠিকানা তার খোঁজ রাখে কেউ ?
বিস্মরণের দেব মহাকাল রয়েছেন জেগে, তাই বাঁচি।
আমার আখরগুলি স্বর্ণাক্ষর নয়, তারা কঠিন মাটিতে
আঁকা রক্তাক্ষর রেখা --- যাবে ধুয়ে বর্ষার নবজলধারে।
ব্যাকুল মনের কথা, সুচেতনা, কাকে বলি ? তাই,
অপ্রকাশ পাণ্ডুলিপি অভিমানে প্রকাশের প্রত্যাশা হারায়।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৫ই বৈশাখ, ১৪৩১
সোনামুখী।
Apnar Sristi abinaswar...er khoi nei...Anupam Bangalore
উত্তরমুছুনঅসাধারন
উত্তরমুছুন