বৎসরান্ত
বৎসরান্ত
সূর্যস্নাত নব ঊষা ঢলে পড়ে বিষন্ন সন্ধ্যায়।
জীর্ণ জরা প্রত্যাশার ভার বয়ে বয়ে ফুরায় জীবন।
যখনই হাতে আসে কামনার ধন, আসে সুখের
জোয়ার কূলপ্লাবী ; অকস্মাৎ ভাটার প্রবল টান
টেনে নেয় খরস্রোতে প্রিয়তমা প্রেয়সী প্রতিমা !
স্বপ্নভাঙা ভোরে উঠে দেখি আমারই সে লালসার
কাদা মেখে পড়ে আছে বাঁশ দড়ি খড়ের কাঠামো।
দুদিনের বিলাপ দেখাই -- আত্মপ্রবঞ্চনা। তারপর
আগামী বছর। আবারো সংগ্রহ দুরাশার, আবারো
অতৃপ্তির সেই বিবমিষা।
অনাগ্রহ অবশেষে, ভোগান্তি বা ভোগ-অক্ষমতা।
অনাসক্তি, শ্রান্তি, ভ্রান্তি -- সব নিয়ে অসহায়
আত্মসমর্পণ নিয়তির পদপ্রান্তে। এই তো জীবন !
উপেক্ষায় রয়ে গেল ঐশ্বর্য বিপুল আপনারই
হৃদয়ের গোপন ভাণ্ডারে, অবরুদ্ধ দ্বারে।
হারিয়ে ফেলেছি চাবি তার মহামোহঘোরে।
আজও অন্ধকারে লুপ্ত হোল আরেকটি বছর।
নিয়ে গেল যা নেবার, দিয়ে গেল দুরাশার
মায়া মরীচিকা। আবারও অশ্রান্ত যাত্রা
বিভ্রান্তির পথে ; ওই বুঝি পারাবার--তৃষ্ণা মিটাবার !
(কবিতাটি পরিমার্জিত ও পুনঃপ্রকাশিত)
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৪
কলকাতা।
বৎসর শেষের সুন্দর . ভাবপূর্ণ কবিতা তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
উত্তরমুছুনDarun Darun
উত্তরমুছুনKhub valo.
উত্তরমুছুনদারুন লেখা
উত্তরমুছুনOnobodyo mon bhore gelo
উত্তরমুছুন