কোজাগরী
চারিদিকে কোলাহল, যেন সমুদ্র মন্থন ! ওঠে বিষ।
অমৃত কখনো বা ; কিন্তু তার ভাগ নাই সকলের।
হলাহল আকাশে বাতাসে, শহরের গুহা হতে পল্লীর
উন্মুক্ত প্রান্তরে।
চাও বা না চাও তুমি বিষপান নিয়তি নির্দেশ।
আজ থাক্ সে সকল ক্লিন্ন খিন্ন কথা বেদনার।
এসো আজ ভাসি গঙ্গায়, উজানে বা ভাটিতে ভাসাই
ছেঁড়া পাল ভাঙা হাল পুরানো পানসি। দেখি বাঙলার
স্বর্ণশীর্ষ আনমিত ধান অফুরান, দিগন্ত প্রসারী
দুই তীরে -- 'গায়ে হলুদ'য়ের শাড়ি-পরা, লজ্জারুণ
কন্যাটি যেমন। চেয়ে চেয়ে দেখি দিনভর অপলক।
রঙ বদলায় এখন তখন -- জ্বল জ্বল করে ওঠে
সাতরঙে সাতনরী হার তটিনীর, কী অপরূপ রূপ জাগে
সূর্যঢলা দিনান্ত বেলায় ! অভিসিক্তা বঙ্গবালা
বধূরূপে দাঁড়ায় অঙ্গনে, কাঁখে তার সোনার কলস।
সন্ধ্যা নামে, চাঁদ ওঠে (যেমন সে উঠেছিল সৃষ্টির আদিম প্রয়াসে),
জ্যোৎস্নার বান-ডাকা বাংলার দুয়ারে দুয়ারে
চির সাধনার জীবন্ত প্রতিমা, ঐ দেখ, রয়েছে দাঁড়ায়ে।
শঙ্খে শঙ্খে মঙ্গল গান, "এসো মা লক্ষ্মী, বোসো ঘরে"।
নবান্নের গন্ধমাখা শিশির শীতল বিভাবরী --
সোনার স্বপন-বোনা উজাগর থাকো কোজাগরী।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা, ১৪৩০
কলকাতা।
Tomar ei lekha porle bhalo khub lage ..Keno Jani na chokh gulo joke Vije o jay .....khub sundor ..
উত্তরমুছুনঅসাধারণ একটি কবিতা পড়লাম দাদা। আমি সত্যিই অভিভূত হয়ে গেলাম। শুভ বিজয়ায় আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ভালোবাসা এবং প্রণাম নেবেন দাদা। ভালো থাকুন আপনি।
উত্তরমুছুনঅসাধারণ একটি কবিতা পড়লাম দাদা। আমি সত্যিই অভিভূত হয়ে গেলাম। শুভ বিজয়া উপলক্ষে, আমার প্রাণ ভরা শুভেচ্ছা ভালোবাসা এবং প্রণাম নেবেন দাদা। ভালো থাকবেন আপনি। অনেক অনেক ভালো
উত্তরমুছুন