নবমীর রাত্রি হোল শেষ, চাঁদ ডুবে গেছে বহুক্ষণ।
বিষন্ন ভোরের তারা কুয়াশায় ম্লান, আছে চেয়ে
কন্যা বিদায়ের কালে অশ্রুমতী জননী যেমন
থাকে চেয়ে বাঙলার দুয়ারের চৌকাঠ ধরে।
এই তো সে এসেছিল -- প্রতীক্ষার আনন্দের বান !
উচ্ছ্বাসের তীরপ্লাবী ভরা সে কোটাল --
অকস্মাৎ কোথা হোল হারা ? বিদায়-ভাটির সু্রে বাজে ঢাক, কাঁসরের করুণ কাঁদন মন্দিরে মন্দিরে।
মৃণ্ময়ী প্রতিমা নয় উমা হৈমবতী, তনয়া সে প্রাণময়ী। আবেগের রক্তরাগে সৃষ্টি ওই মায়াভরা চাঁদমুখ, প্রসন্ন-সুন্দর দৃষ্টি ; চিরন্তনী জননীর বুকের বাসনা
মূর্ত হয়ে মূর্তি ধরে' ছিল তিন দিন। নয় স্বপ্ন, সত্য ছিল, তাই বিচ্ছেদের এত দুঃখ, এমন বেদনা।
ঊষার বাতাসে ভাসে বিজয়ার বিধুর সংগীত।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৬ই কার্তিক (ভোর) ১৪৩০।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন