ঋষি অরবিন্দের দিব্য জীবন (Life Divine) পাঠান্তে।
মরণ যন্ত্রনা জননীর, পিতৃস্নেহ অতল, অপার,
জ্যোতির্ময় আলোর অমৃত ধারা, সুধারস ধরিত্রীর,
আকাশ, বাতাস, মাটি, সূর্য-চন্দ্র-তারাদের দানে,
অনন্ত 'কালের' ধ্যানে একটি প্রাণের কণা আসে।
চৈতন্যের দীপ্তি চোখে তার, অঙ্গে তার অমর্ত্য আভাস,
হৃদয়ের সহস্রদল পূর্ণ তার প্রেমের সৌরভে।
এতো যে সম্পদ, বৈভব বিত্ত, ঐশ্বর্যের মূর্ত প্রতিমা,
ব্যর্থতার অভিশাপ বয়ে বয়ে পরিক্লান্ত রাত্রি অন্ধকারে।
শুনি নাই বিশ্বের আহ্বান, দেখি নাই নিখিলের লীলা,
গাঁথি নাই মালা, চেতনার দীপ জ্বেলে প্রেমের আরতি --
অনারব্ধ রয়ে গেল জীবনে আমার। ফিরে যেতে চাই
জন্মকালের সেই অজ্ঞাত প্রত্যুষে। আবার আরম্ভ হোক্
একটি আলোর দিন --- আমার আমিকে নিব চিনে।
তমসার পরপারে, খুঁজে নিব জ্যোতির্ময় দ্যুলোক ভূলোক।
সীমা পাবে অসীমের অমৃত আশিষ, মুক্তির আনন্দ সেই দিনে।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮/০৯/২০২২
কলকাতা।
Khub sundor kaku
উত্তরমুছুনভালো লাগলো লেখাটা
উত্তরমুছুন