(১)
পঞ্চকোট পাহাড়ের ঢাল
সেখানেই বনপাড়া গ্রাম -
মাঝিদের পুরানো সাকিন।
ধক্কড়ের বেটার অসুখ।
জ্বরে জ্বরে জর্জরে হয়ে আছে একমাস ধরে।
"ডাইনীর কুনজর পড়েছে নিশ্চয়"
মার্ -মার্ বলে ওঠে মারাঙ গুনিন্।
"তুর নাড় আমিই যে কেটেছিরে বাপ্ .....।
ও বাপ্ , ওরে বাবা মারিস না আর,
আমি ডাইন লই ..... তুর ছিলা আমার যে লাতি।
আমি কোলে নিয়ে যাব ডাক্তরের কাছে ..........।"
কথা শেষ হলো না তখনও - পড়ে গেল দুখিনী মেঝান।
তুলা - ধুনা ধুনুড়ির লাঠির নাচন
যেমনটি হয় - ঠিক তেমন ভাবেই
ধক্কড় দেখালো তার গতরের জোর।
হাড়সার দুখিনীর রক্তই ছিলনা -
শুধু মুখ থেকে কস্ বেয়ে , চোখ থেকে চুঁইয়ে
চার ফোঁটা পড়েছিল নিকানো উঠানে।
শেষ জলও পেল না সে বিটিটর হাতে।
মরেছে ডাইনী - বনপাড়ায় উৎসব ;
তাড়ি আর হাঁড়িয়ায় চুর হল বেবাক যুবক।
(২)
ওদিকে গাঁয়ের শেষে পলাশের বনে
শহরের বাবুদের বসন্ত বরণ।
জোড়া দশ তরুণী - তরুণ আবেগ - মাতাল
বিলাতি বোতলে , ঠোকে তাল -
'হুল্লালা, হুল্লালা', সুর -বাণী -শরীরের উন্মত্ত নর্তন।
সন্ধ্যা নামে , স্তব্ধ হয় সব কোলাহল -
মড়া ছুঁইয়ে কেউ নেই দুখিনীর কাছে - সে যে ঘৃণ্য, ডাইন।
আছে একা কালু , পুরাতন সঙ্গী এই নির্বাক কুকুর
মুখের রক্ত চাটে তার - বলে বুঝি অবলা শ্বাপদ -
"আজ কেন দিস্ নাই এক মুঠা ভাত ? "
----------------------------------------------------
"ডাইনী অপবাদে পিটিয়ে খুন আদিবাসী রমণী"
এই সংবাদের ভিত্তি তে কবিতা টি রচিত।
স্থান কাল পাত্র - পাত্রী - সবই কল্পনা প্রসূত।
বাস্তবের সঙ্গে যদি সাদৃশ্য ঘটে তবে তা কাকতালীয়।।
Follows the English version soon!!!
এই সংবাদের ভিত্তি তে কবিতা টি রচিত।
স্থান কাল পাত্র - পাত্রী - সবই কল্পনা প্রসূত।
বাস্তবের সঙ্গে যদি সাদৃশ্য ঘটে তবে তা কাকতালীয়।।
Follows the English version soon!!!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন