মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪

শূন্য হাতে শূন্যে লীন

মাতৃজঠরের গন্ধ উবে গেছে কবে। 
মাথার উপরে ছিল আলো, দেখি নাই। 
পায়ে নিয়ে পাঁক, মরুতৃষা বুকে 
এসেছি পশ্চিম সাগর কূলে, একা, 
আসন্ন সন্ধ্যায় নিয়তি নির্দেশে ___ 
বিস্ময়-বিপন্ন দৃষ্টি, অবশ চরণ। 
ওই যায় ডুবে দিনান্তের শেষ রশ্মিরেখা 
অন্ধকার রাহু ঢেওয়ের নিয়েছে রূপ ! 
অস্তিত্ব-বিনাসী 'না' যেন সর্বগ্রাসী 'হ্যাঁ' মেলে আছে। 
অমানবিকতার পাপ ধোওয়া হোল না আমার, 
হোল না সিন্ধু-স্নান, হোল না পান এক বিন্দু ; 
লবনাক্ত সিন্ধুজল -- প্রাণান্ত পিপাসা। 

কি চেয়েছি সারাটি জীবন, পেয়েছিই বা কি ? 
চাওয়া ও পাওয়ার মাঝে এত গরমিল ? 
না-চাওয়ার ছিল যা পেয়েছি ত সবই, 
পাওয়া যা এসেছে হাতে, ভুল ছিল তাতে। 
ভুলের ফসল বয়ে কেটে গেল কাল। 
সঞ্চয় জীবনে শুধু শবের জঞ্জাল  ! 
"জীবনকে দিলিটা কি ? শুধায় প্রাণেশ", 
'একটি মরণ' মাত্রা, যা আছে অবশেষ। 

দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । 

(প্রথম রচনা 
২২-০১- ২০২২) 
পরিমার্জিত 
০২-০৭-২০২৪ 
ব্যাঙ্গালোর।




,

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Recently published

অমূল্য

He ( Tagore) who sees all things in his own self and his own self in all things, he does not remain unrevealed.                     ...