ফুলেরা পাপড়ি মেলে, পাখী মেলে ডানা,
আশার বাতাস খোলে ঘরের দুয়ার।
হাটে মাঠে নৌকা ঘাটে ষ্টেশনে বাজারে,
গলি থেকে রাজপথে ঢেও ওঠে জেগে
জীবনের। মানুষের সংসারের এই ছবি
বহু পুরাতন -- ব্যপ্ত বর্তমানে, সত্য ভবিষ্যতে।
মাঝে মাঝে ছেদ পড়ে, দীর্ঘ হয় নিশি বিভীষিকা।
জ্যোতির্ময়ী ঊষা অন্ধ হয়ে বন্ধ করে চোখ।
প্রতিপদে দ্বিপদীরা মরে, মুহূর্তের জন্মান্তরে
চতুষ্পদ শ্বাপদ হুঙ্কারে মেতে ওঠে রক্তের নেশায়।
ক্ষণিকের ? সত্য হয়ে ওঠে যেন তাই। সে-আশায়
বাঁধি হাল, তুলি পাল, প্রাণের তরঙ্গে দিই পাড়ি।
শাশ্বতী সংসার ভাস্বতী প্রভাতী সুরে যায় বয়ে
অবিচ্ছিন্ন নিরন্তর, ছিন্ন ক্ষত ফেলে রেখে পাড়ে।
তবু ভাবি, এও তো মিথ্যা আত্মপ্রবঞ্চনা !
ঊষসীর অশ্রুবারিরেখা স্মৃতির কপোলে রাখে
দুর্মোচ্য লাঞ্ছনা। হায়রে ভৈরবী ভোর, হায় গো সান্ত্বনা।।
দুলাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
২২/০/ ২০২৩
ব্যাঙ্গালোর
Asadharon ovibokti....bujhte samay lage....kintu Porte sundor lage
উত্তরমুছুনসুন্দরলেখা
উত্তরমুছুন